ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ও নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ সমন্বয় করা হয়েছে। ফলে সূচকে বেশকিছু নতুন কোম্পানি যুক্ত হচ্ছে। অন্যদিকে বাদ পড়েছে কয়েকটি কোম্পানি। আগামী রোববার থেকে সূচক গণনায় নতুন যুক্ত হওয়া ও বাদ পড়া কোম্পানিগুলো বিবেচনায় নেয়া হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, ডিএস-৩০ সূচকে নতুন ১০ কোম্পানি যুক্ত হয়েছে, বাদ পড়েছে ১০ কোম্পানি। যুক্ত হওয়া কোম্পানিগুলো হলো বেক্সিমকো ফার্মা, পূবালী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, বাংলাদেশ স্টিল রোলিং মিলস, রবি, ওরিয়ন ফার্মা, সামিট পাওয়ার, পাওয়ার গ্রিড, জিপিএইচ ইস্পাত ও লিন্ডে বাংলাদেশ।

একই সময়ে ডিএস-৩০ সূচক থেকে বাদ পড়া ১০ কোম্পানি হলো এডিএন টেলিকম, বসুন্ধরা পেপার, ইস্টার্ন হাউজিং, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স, ইন্ট্রাকো, কোহিনূর কেমিক্যাল, ম্যারিকো, সোনালী পেপার, ট্রাস্ট ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংক।

এদিকে ডিএসইএক্স সূচকে নতুন একটি কোম্পানি যুক্ত হয়েছে। কোম্পানিটি হলো এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। ডিএসইর এসএমই খাতের ‘ডিএসএমইএক্স’ সূচকের জন্য দুটি কোম্পানি পর্যবেক্ষণে ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে না পারায় কোম্পানি দুটিকে সংযুক্ত করা হয়নি। ফলে ডিএসএমইএক্স সূচকে এবার নতুন কোনো কোম্পানি যুক্ত হয়নি।

২০১৩ সালে ডিএসইএক্স ও ডিএস-৩০ সূচক চালু করে ডিএসই। ডিএসইএক্স বাজারের মোট ইকুইটি মূলধনের ৯৭ শতাংশ প্রতিফলিত করে। অন্যদিকে বাছাইকৃত ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০কে ব্লু চিপ শেয়ার বলা হয়। এছাড়া শরিয়াহ নীতি অনুসারে গঠিত স্টকগুলোর সূচক ডিএসইএস। এসএমই প্লাটফর্মে কেবল একটি সূচকই কার্যকর রয়েছে, তা হলো ডিএসএমইএক্স।

প্রতি বছর একবার ডিএসএমইএক্স সূচক সমন্বয় করা হয়। আর বছরে দুবার ডিএস-৩০ সূচক ও একবার সমন্বয় করা হয় ডিএসইএক্স সূচক।