বাংলাদেশের চাহিদা মেটাতে পেঁয়াজ আমদানির জন্য মিসর বিকল্প উৎস হতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এদ্দিন আহমেদ ফাহমি। গতকাল ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আশরাফ আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি মিসর থেকে পেট্রোকেমিক্যাল ও সার আমদানির জন্য বাংলাদেশের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান দেশটির রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দুই দেশের বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের বিজনেস টু বিজনেস (বিটুবি) সেশন আয়োজনের কথা বলেন ডিসিসিআই সভাপতি। পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য সংগঠনগুলোর মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ওপর জোরারোপ করেন তিনি।

মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এদ্দিন আহমেদ ফাহমি বলেন, ‘বাংলাদেশ সুয়েজ খাল ব্যবহারের মাধ্যমে অধিকাংশ পণ্য ইউরোপসহ সমগ্র পৃথিবীতে রফতানি করছে। মিসরকে ট্রান্সশিপমেন্ট হাব হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে আফ্রিকার বাজারে এসব পণ্যের রফতানি সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের চাহিদা মেটাতে পেঁয়াজ আমদানির জন্য বিকল্প উৎস হতে পারে মিসর।’

এ সময় ডিসিসিআই সভাপতি আশরাফ আহমেদ জানান, বাংলাদেশের হিমায়িত খাদ্য, চিংড়ি এবং আম মিসরে রফতানি করা যেতে পারে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি, চামড়াজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, সিরামিক, ওষুধ প্রভৃতি পণ্য অধিক হারে আমদানির জন্য দেশটির উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের নদীভিত্তিক পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে মিসরের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহায়তার ওপর জোরারোপ করেন আশরাফ আহমেদ।

ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি মালিক তালহা ইসমাইল বারী, সহসভাপতি মো. জুনায়েদ ইবনে আলী এবং মিসর দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন সোহেলা মাহরিন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।