পূবালী ব্যাংক পারপেচুয়াল বন্ডের পর্ষদ সভা আজ বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ২২ মার্চ পর্যন্ত অর্ধবার্ষিক সময়ের কুপন রেট ঘোষণা করা হবে। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে চলতি বছরের ২৩ মার্চ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের জন্য পূবালী ব্যাংক পারপেচুয়াল বন্ডের পর্ষদ বার্ষিক ১০ শতাংশ হারে কুপন রেট ঘোষণা করেছে।

গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে এ বছরের ২২ মার্চ পর্যন্ত সময়ের জন্য পূবালী ব্যাংক পারপেচুয়াল বন্ড বার্ষিক ১০ শতাংশ হারে কুপন রেট ঘোষণা করেছিল। ঘোষিত এ মুনাফা ইউনিটধারীদের কাছে পাঠিয়েছে বন্ডটি। 

এর আগে গত বছরের ২৩ মার্চ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের জন্য ১০ শতাংশ হারে কুপন রেট ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে গত বছরের ২২ মার্চ পর্যন্ত সময়ের জন্য ১০ শতাংশ কুপন রেট ঘোষণা করেছিল বন্ডটির ট্রাস্টি।

সর্বশেষ রেটিং অনুসারে, পূবালী ব্যাংক পারপেচুয়াল বন্ডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-টু’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।

২০২২ সালের ২৪ মার্চ ডিএসইতে লেনদেন শুরু করেছে পূবালী ব্যাংকের পারপেচুয়াল বন্ডটি। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮০২তম কমিশন সভায় পূবালী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার এ পারপেচুয়াল বন্ড অনুমোদন করা হয়। এ বন্ডের বৈশিষ্ট্য হলো এটি আনসিকিউরড, কনটিনজেন্ট-কনভার্টিবল, পুরোপুরি পরিশোধিত, নন-কিউমুলেটিভ ও ব্যাসেল থ্রি কমপ্লায়েন্ট। বন্ডটির ৪৫০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্ট ও বাকি ৫০ কোটি টাকা পাবলিক অফারের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়েছে। বন্ডটি ইস্যুর মাধ্যমে এডিশনাল টায়ার ওয়ান মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করবে পূবালী ব্যাংক। বন্ডের ট্রাস্টির দায়িত্বে রয়েছে গ্রিন ডেল্টা ক্যাপিটাল লিমিটেড। এ বন্ডের অ্যারেঞ্জার, ইস্যু ম্যানেজার ও আন্ডাররাইটারের দায়িত্বে ছিল সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড ও ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

২০২১ সালের মার্চে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বেমেয়াদি এ বন্ড ইস্যু করে ৫০০ কোটি টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পূবালী ব্যাংকের পর্ষদ। তবে বিএসইসির নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের পাশাপাশি পাবলিক অফারের মাধ্যমে বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নেয় ব্যাংকটি। সে অনুসারে ৪৫০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে আর ৫০ কোটি টাকা পাবলিক অফারের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়েছে।