বাংলাদেশ অ্যাগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বামা) বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ জুন) বামার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় অ্যাসোসিয়েশনের প্রায় সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন আবুল খায়ের, ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুদান বাংলাদেশ জিনিং মিলস লিমিটেড। বিশেষ অতিথি ছিলেন গাজী মাহমুদ কামাল। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম এ মান্নান।

বাৎসরিক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ গত বছরের এক লাখ এক হাজার টন ফিনিশড পেস্টিসাইড আমদানি করা হয়েছিল। অথচ যদি কাঁচামাল আমদানি করে দেশে তৈরি করা হতো তাহলে দশ হাজার টন কাচা মাল দিয়েই এক লাখ টন পেস্টিসাইড উৎপাদন করা সম্ভব হতো। দেশে উৎপাদিত হলে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ কম মুল্যে উৎপাদন করা যেত। বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হতো, দেশে স্থানীয় শিল্পকারখানা গড়ে উঠত, কর্মসংস্থানের সুযোগ হতো। দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রফতানি করা যেত যেভাবে ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠছে আমাদের দেশে। তাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সরকারকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইন অমান্য করে পেটেন্ট পেস্টিসাইডকে মনোপলি বাজার করার সুযোগ করে দিয়ে কৃষককে অনেক বেশি মুল্যে কীটনাশক কিনতে বাধ্য করছে সরকার। এ বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে সরকারের কাছে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। —বিজ্ঞপ্তি