দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি এদিন এক্সচেঞ্জটিতে দৈনিক লেনদেন কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। অন্যদিকে দেশের আরেক পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন। 

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল দিন শেষে আগের দিনের তুলনায় ডিএসইএক্স ৫৩ পয়েন্ট বা দশমিক ৯৯ শতাংশ কমে ৫ হাজার ৩৩০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৫ হাজার ৩৮৪ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ১৭৮ পয়েন্টে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস৩০ গতকাল প্রায় ১৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ১ হাজার ৯২১ পয়েন্টে। 

গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, রেনাটা, গ্রামীণফোন, বীকন ফার্মাসিউটিক্যালস ও পূবালী ব্যাংকের শেয়ারের।

ডিএসইতে গতকাল ৪৫০ কোটি ১৮ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৪৮৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। ডিএসইতে গতকাল মোট ৩৯২টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ৩৩২টির, কমেছে ২৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টির বাজারদর। 

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে মোট লেনদেনের ২১ দশমিক ৫ শতাংশ নিয়ে শীর্ষ ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ লেনদেন ছিল ব্যাংক খাতের দখলে। আর ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ লেনদেন নিয়ে তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত। গতকাল ডিএসইতে সব খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। নেতিবাচক রিটার্নে শীর্ষে ছিল তথ্য ও প্রযুক্তি, কাগজ ও সেবা খাত।