পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের কাছে থাকা ১ কোটি ৭০ লাখ ইউনিটের মধ্যে ৬০ লাখ ইউনিট বিক্রির ঘোষণা করা হয়েছে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ডিএসইর পাবলিক বা ব্লক মার্কেটে বিদ্যমান বাজারদরে এ শেয়ার বিক্রি করবে কোম্পানিটি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য ইউনিটধারীদের জন্য আড়াই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ফান্ডটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি আয় (ইপিইউ) হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৩ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিইউ) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩৯ পয়সায়, বাজারমূল্যের ভিত্তিতে যা দাঁড়ায় ১০ টাকা ৩০ পয়সায়।
চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে ফান্ডটির ইপিইউ হয়েছে ১ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে ফান্ডটির এনএভিপিইউ দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৯২ পয়সায়।
২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করেছে আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড। এর আগে ওই বছরের ২৮ জুন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৮২৯তম কমিশন সভায় মেয়াদি এ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমিশন সভায় মেয়াদি আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয়েছে। ফান্ডটির লক্ষ্যমাত্রা ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা হিসেবে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএফ) ৫০ কোটি ও আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (আইসিবি এএমসিএল) ২০ কোটি টাকা দিয়েছে। এছাড়া ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) পূর্ব প্লেসমেন্টের ৫ কোটি টাকা দিয়েছে। বাকি ২৫ কোটি টাকা সব বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়েছে। ফান্ডটির প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। এ ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। এছাড়া ফান্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও কাস্টডিয়ান হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড কাজ করছে।










