নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জের পাইকারি বাজারে চিনির দাম কমছে। বেশ কয়েক মাস ধরে পণ্যটির দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী দেশে চিনির দাম কম থাকার সুযোগে একটি সিন্ডিকেট সীমান্ত দিয়ে চোরাই পথে চিনি নিয়ে আসছে বলে অভিযোগও ওঠে। যার প্রভাবে দেশে চিনির দাম কিছুটা কমেছে। মফস্বলের বাজারে ভারতীয় চিনি সরবরাহ থাকায় পাইকারিতে কেজিপ্রতি দাম কমেছে ৩-৪ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের বাজারে দু-তিনটি মিল চিনি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। যে কারণে প্রায় এক বছর ধরেই দেশের বাজারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বেশি দামে বেচাকেনা হয়ে আসছিল। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেয়া দাম ছিল ১২০ টাকা কেজি। কিন্তু সে সময় বাজারে বেচাকেনা হয়েছিল ১২৭-১২৮ টাকা কেজি দরে। একই সময় ভারতে চিনি আরো অনেক কম দামে বেচাকেনা হচ্ছিল।
নিতাইগঞ্জে চিনির পাইকারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, পাইকারিতে চিনি বেচাকেনা হচ্ছে ১২৪-১২৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে। সে হিসেবে পাইকারিতে চিনির দাম কমেছে কেজিপ্রতি ৩-৪ টাকা। কিন্তু খুচরা বাজারে এখনো চিনি বেচাকেনা হচ্ছে ১৩৫-১৩৮ টাকা কেজি দরে। পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে এখনো দাম তেমন কমেনি।
চিনি ব্যবসায়ী দিলীপ সাহা জানান, মফস্বলের বাজারগুলোয় ভারতীয় চিনি সরবরাহ বেড়েছে। যে কারণে দেশের বাজারে চিনির দাম কিছুটা কমতির দিকে। তার দাবি দেশের চিনির মিলগুলো যে দামে বেচাকেনা করছে, তার থেকে প্রতি বস্তায় প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে মার্কেটে। আরেক চিনি ব্যবসায়ী সাব্বির আলম জানান, বাংলাদেশ থেকে অনেক কম দামে ভারতে চিনি বেচাকেনা হচ্ছে।









