সিমেন্ট খাতে তালিকাভুক্ত মেঘনা সিমেন্ট মিলস পিএলসির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবি মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৫’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন দি বাংলাদেশ রেটিং এজেন্সি লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৮ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৪ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৩৩ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৬ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ১৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৭০ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ১৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৫৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৬৪ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা সিমেন্টের ইপিএস হয়েছে ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ৫৮ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে মেঘনা সিমেন্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৯০ পয়সায়।
১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা সিমেন্টের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৩১ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৩৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৯। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৪১ দশমিক ৯০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৪ দশমিক ৭২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।









