জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (ইউএনসিডিপি) এবং এফবিসিসিআইর মধ্যে অনুষ্ঠিত সভায় এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেয়া হয়েছে। সভায় রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা, নতুন বাজার খোঁজা, গবেষণা ও উদ্ভাবন বাড়ানো এবং প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে ইউএনসিডিপির সদস্য তেফারে তেসফাচিউর নেতৃত্বে এফবিসিসিআইর সঙ্গে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম জাহাঙ্গীর, এসএসজিপি প্রকল্পের কম্পোনেন্ট ম্যানেজার মোস্তফা আবিদ খান এবং এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বেজা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ হাসান, বিডা উপ-পরিচালক সুজন দাস গুপ্ত, সার্ক চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট শাফকাত হায়দার এবং অন্যান্য শিল্প ও ব্যবসায়ী নেতারা।
সভায় এফবিসিসিআইর প্রশাসক জানান, বাংলাদেশ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের জন্য জাতিসংঘের সব সূচক উত্তীর্ণ করেছে। এর ফলে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে এবং বিদেশী বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনাও বেড়েছে। তবে উত্তরণের পর বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা হারানো এবং উৎপাদন খরচ বাড়ার কারণে উদ্যোক্তারা নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন।
স্থানীয় শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরো বলেন, রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে হবে, নতুন বাজার খুঁজতে হবে এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়াতে হবে।
জাতিসংঘের প্রতিনিধি তেফারে তেসফাচিউ বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ বিশ্বের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। তবে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।
উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে স্থানীয় শিল্পের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রযুক্তি, দক্ষতা এবং বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার ওপর জোর দেন অংশগ্রহণকারীরা। এফবিসিসিআই জানিয়েছে, এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।










