পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্প গড়ার স্বীকৃতিস্বরূপ গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন ফেয়ার গ্রুপের পরিচালক মুতাসসিম দায়ান।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ পুরস্কার দেয়া হয় ‘ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুতকারক’ ক্যাটাগরিতে। পুরস্কার তুলে দেন সরকারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
নরসিংদীর শিবপুরে অবস্থিত ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স কারখানায় আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কারখানাটিতে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা সনদ অনুযায়ী প্রশিক্ষণ, পরিবেশ ঝুঁকি মূল্যায়ন ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এখানে শতাধিক দক্ষ শ্রমিক কাজ করছেন।
বাংলাদেশে হাইসেন্স ও স্যামসাংয়ের মোবাইল ও কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স পণ্যের স্থানীয় প্রস্তুতকারক হিসেবে ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স বেশ পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশ সচেতনতা, জ্বালানি সাশ্রয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে।
এ স্বীকৃতি ফেয়ার ইলেকট্রনিক্সের টেকসই শিল্পায়নের অঙ্গীকারের প্রমাণ বলেই মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর আগেও প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২০ (হাই-টেক ক্যাটাগরিতে প্রথম), জাতীয় উৎপাদনশীলতা ও গুণগত উৎকর্ষ পুরস্কার ২০২২ (স্টিল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে প্রথম), আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড স্যামসাং উৎপাদনের জন্য সরকারি স্বীকৃতি (২০১৯) এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সম্মাননা পেয়েছে।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (লিগ্যাল, এস্টেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স) ড. মো. সেলিম রেজা, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম অলোক চক্রবর্তী এবং করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ডিজিএম মারুফ হাসান ভূঁইয়া।
প্রসঙ্গত, দেশের ১৬টি খাতের ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ডে পুরস্কৃত করা হয়েছে। —বিজ্ঞপ্তি










