ডিজিটাল ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির ভিত্তি গঠনের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনকিউবেশন প্ল্যাটফর্ম এনএসইউ স্টার্টআপস নেক্সট ও বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে একটি আয়োজন করেছে।

২৯ মে রাজধানীর বসুন্ধরায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সেশনের নাম ছিল ‘উদ্যোক্তা উদ্ভাবন ইঞ্জিন: এনএসইউ স্টার্টআপস নেক্সট ও হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ’।

এই আয়োজনে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সামনে তুলে ধরা হয় ‘এক্সেলারেটিং বাংলাদেশ’ কর্মসূচির ধারণা, যা বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও এর অংশীদারদের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি জাতীয় স্টার্টআপ উন্নয়ন প্রকল্প। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণ উদ্ভাবকরা পরামর্শ, অর্থায়ন ও জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি পাওয়ার সুযোগ পায়।

আলোচনায় উঠে আসে বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তোলাসহ সমস্যা সমাধানে সৃজনশীলতার প্রয়োজনীয়তা। এ সময় বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ইনকিউবেটরগুলো শিক্ষাক্ষেত্র ও শিল্পখাতের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান ও বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ডিইআইইডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

এনএসইউ স্টার্টআপস নেক্সটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক স্যামুয়েল মুরসালিন উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্ভাবনের উৎসমুখে পরিণত করতে হবে। সরকার ও শিল্পখাতের সহযোগিতায় এক্সেলারেটিং বাংলাদেশের মতো উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে পারলে তাদের আইডিয়া বাস্তবে রূপ দেয়ার পথ সুগম হবে।

হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি সদস্যরাও যৌথ এই উদ্যোগের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব বাংলাদেশের উদ্ভাবনী পরিবেশকে আরো সুসংগঠিত করবে।

অনুষ্ঠানটি শেষ হয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রত্যয় ও ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে। লক্ষ্য ছিল আগামী দিনের নতুন প্রতিষ্ঠাতা, প্রযুক্তিবিদ ও পরিবর্তনকারী তরুণদের গড়ে তোলা।

বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রকল্প পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, আমাদের ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ তরুণ উদ্ভাবকদের হাতেই। হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ হিসেবে আমরা এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে উদ্যোক্তা প্রতিভা বিকশিত হতে পারে ও জ্ঞানভিত্তিক টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি হয়।

—বিজ্ঞপ্তি