পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রানার অটোমোবাইলস পিএলসির ইজিএম-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে আগামীকাল শেয়ারটির লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ২০ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রানার অটোমোবাইলসের ইপিএস হয়েছে ৯০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৭০ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ ও উদ্যোক্তা পরিচালকদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রানার অটোমোবাইলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৭৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৪৯ পয়সায়।
রানার অটোমোবাইলসের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রানার অটোমোবাইলসের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৪০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৩৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৩২। এর ৩৪ দশমিক ১৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৬ দশমিক ৬৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে বাকি ২৯ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।









