তালিকাভুক্ত বিবিধ খাতের কোম্পানি এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে মহানগর সেশন জজ আদালতের নির্দেশে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) কোম্পানিটির ব্যাংক হিসাব জব্দ করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আলোচিত কর্মকর্তা মতিউর রহমান এসকে ট্রিমসের প্লেসমেন্ট শেয়ার কিনেছেন। কোম্পানিটি তিনি নিজেই গড়ে তুলেছেন।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৭ পয়সা। সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের এ সময়ে যা ছিল ২১ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৬ টাকা ৩১ পয়সা।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে এ সময়ে যা ছিল ৯০ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৫৭ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ।
২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এসকে ট্রিমসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশাধিত মূলধন ৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫০ কোটি ২ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৮ কোটি ৪৭ লাখ। এর মধ্যে ৩১ দশমিক ২৩ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৩৯ দশমিক ৯১ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। গতকাল এসকে ট্রিমস শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ২৪ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটি সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ২৩ টাকা ৯০ ও ৩৭ টাকা ৭০ পয়সা।










