৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) যমুনা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৯১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ৮৮ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে ব্যাংকটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৯ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে যমুনা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৪৩ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে ব্যাংকটি বিনিয়োগকারীদের ২৪ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ এবং ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে যমুনা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৬১ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে যমুনা ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে যমুনা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৬৮ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত), আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৭৪ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৩৯ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ২৩১ কোটি ৬২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৩ কোটি ৯৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬৩০। এর ৩৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ৩৭, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ১৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫৮ দশমিক ৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










