সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেডের সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ডাবল এ টু ও স্বল্পমেয়াদে এসটি-টু। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থান ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ১৩ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি ৪ টাকা ১৩ পয়সা লোকসান হয়েছিল কোম্পানিটির। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৭ টাকা ২০ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে এ বছরের ৮ মে সকাল সাড়ে ১০টায় বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২ এপ্রিল।
এর আগের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে হাইডেলবার্গ সিমেন্টের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ১৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যেখানে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছিল ৮ টাকা ৪১ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৬০ টাকা ৭ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৬৬ টাকা ৬০ পয়সায়।
১৯৮৯ সালে দেশের পুঁজিবাজারে আসা হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মুলধন ৫৬ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৮২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ৬৫ লাখ ৩ হাজার ৫৯০। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৬০ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬ দশমিক ৬২ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ১২ দশমিক ৬৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










