লভ্যাংশসংক্রান্ত রেকর্ড ডেটের কারণে বহুজাতিক কোম্পানি ম্যারিকো বাংলাদেশের লেনদেন আগামীকাল বন্ধ থাকবে। এর আগে গত দুই কার্যদিবস স্পট মার্কেটে শেয়ার লেনদেন হয়েছিল কোম্পানিটির। সোমবার থেকে স্বাভাবিক নিয়মে পুনরায় লেনদেন চালু হবে কোম্পানিটির। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটির পর্ষদ। লভ্যাংশ নির্ধারণ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আগামীকাল। 

তালিকাভুক্তির পর ২০০৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটি ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। এরপর ২০১০ হিসাব বছরে ২০ শতাংশ, ২০১১ হিসাব বছরে ২৫ শতাংশ, ২০১২ হিসাব বছরে ১০০ শতাংশ ও ২০১৩ হিসাব বছরে ১৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৪ হিসাব বছরে ম্যারিকো বাংলাদেশ ৯০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এরপর প্রতি বছরই উচ্চ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ২০১৫ হিসাব বছরে ৪২৫ শতাংশ, ২০১৬ হিসাব বছরে ৪৫০ শতাংশ, ২০১৭ হিসাব বছরে ৫০০ শতাংশ, ২০১৮ হিসাব বছরে ৬০০ শতাংশ, ২০১৯ হিসাব বছরে ৬৫০ শতাংশ, ২০২০ হিসাব বছরে ৯৫০ শতাংশ, ২০২১ হিসাব বছরে ৯০০ শতাংশ, ২০২২ হিসাব বছরে ৮০০ শতাংশ এবং ২০২৩ হিসাব বছরে ৭৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটি। সর্বশেষ ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। 

তথ্য অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে ম্যারিকো বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৪ টাকা ৭৮ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪২ টাকা ১৮ পয়সা। এ বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩১৫ টাকা ৪২ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে ম্যারিকো কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৪৬ টাকা ২৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২২ টাকা ৯৩ পয়সা। এ বছরের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬০ টাকা ৬৪ পয়সায়।