দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল। আর এতেই ধারণক্ষমতার তিন গুণ বেশি ঢাকার কমলাপুর আইসিডিগামী কনটেইনার জমে যায় চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে। এতে বিপাকে পড়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এবার বন্দরের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার কমলাপুর আইসিডির ১ হাজার ৮৫৬টি কনটেইনার রেলের বিকল্প সড়ক বা নৌপথে ঢাকায় নেয়া কিংবা ওই কনটেইনারগুলো চাইলে আমদানিকারকরা চট্টগ্রাম বন্দর থেকেই খালাস নিতে পারবেন এমন ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এছাড়া এ ঘোষণা আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথাও চিঠিতে জানিয়ে এনবিআর।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, কমলাপুর আইসিডিগামী কনটেইনারের পরিস্থিতি জানিয়ে ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজারের দপ্তর থেকে এনবিআরের এক আবেদন জানানো হয়। এতে জমে থাকা কনটেইনার রেলের বিকল্প নৌ বা সড়কপথে ঢাকায় নেয়া কিংবা আমদানিকারক চাইলে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ডেলিভারি নেয়ার অনুমতি চাওয়া হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস : নীতি) মুকিতুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে চট্টগ্রাম কাস্টমস ও কমলাপুর আইসিডির কাস্টমস কমিশনারকে ওই ১ হাজার ৮৫৬ কনটেইনার খালাসের বিকল্প দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এতে তিনটি শর্ত দেয়া হয়।
আমদানিকারকরা চাইলে আইজিএম (ইমপোর্ট জেনারেল মেনিফেস্ট) সংশোধন করে কনটেইনার খালাসের স্থান পুনর্নির্বাচন করতে পারবেন এবং সংশ্লিষ্ট কাস্টমসের সিঅ্যান্ডএফের মাধ্যমে কনটেইনার খালাস নিতে পারবেন। চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বণিক বার্তাকে বলেন, ‘জট কমাতে আইডিসির ১ হাজার ৮৫৬ কনটেইনার ডেলিভারি নেয়া যাবে। কেউ চাইলে সড়ক বা নৌপথে বা খালাস নেয়া যাবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে। এ ব্যাপারে এনবিআরের নির্দেশনাও মিলেছে।










