সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী। পরিবেশ আন্দোলনে সোচ্চার দীর্ঘ সময় ধরে। ঢাকার বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে সরকার অনেক উদ্যোগ নিলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না। ঢাকার বাসযোগ্যতা ফেরাতে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ নিয়ে কথা বলেছেন বণিক বার্তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আল ফাতাহ মামুন

ঢাকার বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার নানা উদ্যোগ নিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এক্ষেত্রে কোন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন? 

ঢাকার বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে হলে একটা দর্শন লাগবে। অন্তত ২০ বছরের একটা কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। ঢাকা থেকে মাধ্যমিকের ওপরের স্কুল-কলেজগুলো সরাতে হবে। এটা হুট করে করা যাবে না। আপনি আজ বললে এরা কোথায় যাবে? আমাদের সন্তানরাই তো এসব স্কুল-কলেজে পড়ে। আমিই তো এখানে অফিস করি। কাজেই এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা নেয়ার আগে অবশ্যই যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। আর এটা করতে হবে পাবলিক বাসের মাধ্যমে, ট্রেনের মাধ্যমে। তারপর ধীরে ধীরে আমাদের এখান থেকে সরাতে হবে। এ নগরটাকে ভারমুক্ত করতে হবে। কিন্তু ঢাকা নিয়ে এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা আমরা দেখছি না। আমরা কথায় কথায় দক্ষিণ কোরিয়ার কথা বলি যে তারা কীভাবে নগরকে ভারমুক্ত করেছে? তারা এভাবে একটা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে তারপর নগরকে ভারমুক্ত করেছে। আমি বলছি না একদিনেই সব স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল-অফিস সরাতে হবে। আমি থাকি গ্রিন রোডে। এক গ্রিন রোডেই কয়টা হাসপাতাল আর কয়টা ক্লিনিক আছে? তারা কি কেউ ফাঁকা বসে আছে? সবারই তো রোগী আছে। তার মানে তাদের এ চাহিদাটা আছে। কিন্তু আমি তো একটা আবাসিক এলাকায় থাকি। আমি তো ওখান থেকে বেরোতে পারি না। ঢাকাকে কী করে সবুজ ও নীল করা যায়, ঢাকার ওপর চাপ কী করে মুক্ত করা যায় তা নিয়ে একটা দর্শন থাকতে হবে। আর ঢাকার অভিভাবক থাকতে হবে। রাজউক একা এ দর্শন সাজালে হবে না। নগরবাসীর সঙ্গে গণশুনানি করে এ দর্শন সাজাতে হবে। যদি রাজউকই দর্শন সাজায় বা পরিকল্পনা করে যে আশুলিয়ার বন্যাপ্রবাহ এলাকা ভরাট করে আমরা উচ্চবিত্তদের জন্য আবাসন বানাব এবং এর যুক্তি হিসেবে বলা হয়, আমরা বন্যাপ্রবাহ ভরাট হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারছি না, তাই আমরা নিজেরাই কিছু ভরাট করে কিছু রেখে সংরক্ষণ করি। এই যদি হয় রাজউকের অবস্থা তাহলে নগরবাসী জলাশয় রক্ষায় আর কার কাছে যাবে—আমি প্রশ্ন রাখলাম।

ড্যাপ গেজেট হওয়ার পর থেকেই আপনি বারবার বলে আসছেন এখানে জলাশয়-জলাধার সংরক্ষণের চেয়ে সংকুচিত করা হয়েছে বেশি। আপনি আরো বলছেন ঢাকার কোনো দর্শন নেই বা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেই। তাহলে ড্যাপ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

আমি ড্যাপের সমালোচনা করেছি এ কারণে যে সেটা বৈষম্যমুক্ত হয়নি এ বিবেচনায়। যে রাস্তায় গাড়ি ঢোকে না সে রাস্তায় বেশি বড় বিল্ডিং হবে না—এটা যেমন সত্য, তাই বলে কি গুলশানে আপনি ২৪ তলা ভবনের অনুমতি দেবেন? গুলশান কি ২৪ তলার জন্য প্রস্তুত? আপনি রাস্তা বড় নেই বলে বড় বিল্ডিংয়ের অনুমতি দিচ্ছেন না—এটাই ড্যাপের বৈষম্য। যেখানে রাস্তা বড় নেই সেখানে বড় রাস্তা করার দায়িত্ব আপনার, সরকারের। আরেকটা ব্যাপার কি জানেন, যার জমি ছোট সে গাড়ির মালিক নয়। তার বরং চারটা সন্তানকে তিন কাঠা জমিতে চারতলা বাড়ি করে দিতে পারলে সে বেশি খুশি হয়। ড্যাপ এ বিবেচনাটা করতে পারেনি। নিম্নমধ্যবিত্ত বা একেবারেই মধ্যবিত্তের বর্ডার লাইনে যারা আছে তাদের জমির সর্বোচ্চ ব্যবহারের গ্যারান্টি দিতে পারেনি ড্যাপ। যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছে—ওইসব এলাকায় আগুন লাগলে কী হবে, ওই এলাকার রাস্তা ছোট, গাড়ি ঢুকতে পারে না ইত্যাদি। তাহলে পুরান ঢাকা নিয়ে ড্যাপের প্রস্তাবনা কী? এ কারণেই দর্শনের দিক থেকে আমি দেখতে পাই বৈষম্যের বিষয়টা রাজউক চিন্তা করেনি। 

দ্বিতীয় যে বিষয়টা বলব, রাজউকের গণশুনানির ওপর আমার কোনো আস্থা নেই। কারণ রাজউক আমাকে কখনো ডাকেনি। বিআইপি বা আইইবি একটা মিটিং করেছিল রাজউকের সঙ্গে, সেখানে আমি ছিলাম। রাজউক আমাকে ডাকেনি। আমি গিয়েছি অন্যদের আমন্ত্রণে।

ড্যাপ প্রসঙ্গে তৃতীয় যে কথা বলব, রাজউক অনেকগুলো প্রস্তাবনা করেছে যে এখানে নীল হবে, এখানে সবুজ হবে; এগুলোর অনেকগুলোই ব্যক্তিমালিকানাধীন জায়গায়। এগুলো রাজউক কীভাবে বাস্তবায়ন করবে? এই যে রাজউক আমাদের বোঝাল এতগুলো ওয়াটার পার্ক করব ইত্যাদি ইত্যাদি, আমি জানতে চাচ্ছি এটার ব্যাকআপ প্ল্যানটা কী? সেটা তো স্পষ্ট করে কোথাও বলা নেই। এখন রাজউক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ধানমন্ডির মতো এলাকায় কিছু টাকা দিলেই কমার্শিয়ালের অনুমতি দিয়ে দেবে। এটা কেমন কথা? টাকা দিলেই কমার্শিয়াল দিয়ে দিতে হবে? যারা একটু শান্তিতে থাকতে চায় তাহলে তাদের নিয়ে রাজউক কী ভাবছে? একদিকে রাজউক বলছে তিন কাঠার মধ্যে ছয়তলা ভবন তুলতে দেবে না, অন্যদিকে ধানমন্ডির আবাসিক এরিয়াকে তারা মিক্সজোন করছে। এটা কার বুদ্ধিতে তারা করছে আমার জানার খুব ইচ্ছা। রাজউক চাইলে ২৭ নম্বর বাণিজ্যিক করে ফেলুক, মিরপুর রোড করে ফেলুক, সাতমসজিদ রোড করে ফেলুক, আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু ভেতরের যেগুলো বাণিজ্যিক স্থাপনা আছে সেগুলো নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করুক। ওই যে বললাম ২০ বছরের পরিকল্পনা, সেটার আওতায় রাজউক বলুক, ধীরে ধীরে বাণিজ্যিক স্থাপনা এখান থেকে সরিয়ে নেয়া হবে। তারা বলুক, আমরা নতুন করে আর কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনার অনুমতি দিচ্ছি না। যেগুলো আছে সেগুলো অমুক অমুক জায়গায় সরিয়ে নেয়া হবে। এটা না করে রাজউক বলছে, এটা হলো নগর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যিনি জড়িত তার কথা—তিনি হঠাৎ করে বলে ফেললেন, অন্যায় হয়েই গেছে, খুন তো করেই ফেলেছে, এখন আর ফাঁসি দিয়ে কী লাভ। ফাঁসি দিলে তো দুটি প্রাণ মারা যাবে। এটা না করে তাহলে আমরা একটা বিকল্প পথ বের করি। সে পথ হলো বাণিজ্যিক স্থাপনা কিছু টাকার বিনিময়ে অনুমোদন দেয়া হবে। রাজউক যে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধানমন্ডির কতজন মানুষের মতামত নিয়ে করেছে আমি জানতে চাই। রাজউক তো চলে আমাদের টাকায়। আমাদের জিজ্ঞাসা করেছে? আমি নিজেই তো অফিস করছি ধানমন্ডি রেসিডেন্সিয়াল এলাকায়। রাজউক আমাকে বলুক, আপনি এখানে অফিস না করে ওই জায়গায় যান। এ মুহূর্তে রাজউক সেটা বলতে পারবে না। কারণ ঢাকার সে অবস্থা নেই। রাজউক যদি নিয়ন্ত্রণ নেয় সাভারের, নিয়ন্ত্রণ নেয় গাজীপুরের, নিয়ন্ত্রণ নেয় কেরানীগঞ্জের তাহলে সেখানে রাজউক অফিসপাড়া করে দিক এবং আমাকে বাস সার্ভিস করে দিক আমি চলে যাব। রাজউকের বলা উচিত, আজ থেকে আর কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা হবে না। কোনো কোনো এলাকায় প্রাইমারি স্কুল হতে পারে। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এ নিয়ম। যে এলাকায় শিশুরা থাকে তারা ওই এলাকাতেই প্রাইমারি লেভেলের পড়া শেষ করে। সে স্কুলগুলো রাস্তার পাশে হবে। স্কুলের নিজস্ব বাস সার্ভিস থাকবে। গুলশানের শিশুরা এসে ধানমন্ডিতে পড়ে। উত্তরার শিশুরা ধানমন্ডিতে পড়তে আসে। এই যে ট্রাফিকটা কেমন করে নিয়ন্ত্রণ করা হবে যদি প্রাইমারি স্কুল আবাসিক এলাকায় না রেখে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়? হ্যাঁ, থাকবে হোটেল, থাকবে হাসপাতাল; সেগুলো থাকবে মিরপুর রোডে, ২৭ নম্বর রোডে, সাতমসজিদ রোডে যেখানে চওড়া রাস্তা রয়েছে। ভেতরের রাস্তায় তো রাজউক এসব স্থাপনার অনুমতি দিতে পারে না। 

প্রতিনিয়ত কমছে ঢাকার সবুজ ও নীল। এ বিপর্যয় রোখার উপায় কী? 

আমি যখন ঢাকায় বড় হয়েছি, আমাদের প্রত্যেকের বাড়ির সামনে বাগান ছিল। ঢাকা ছিল বাগানের শহর। সিটি অব গার্ডেনস। এখন ঢাকায় কোনো বাগান নেই। আপনি ভাবতে পারেন ঢাকা একটি বাগানবিহীন নগরীতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাচ্ছে না। তারা এখন ছাদবাগান করছে। ঢাকার সবুজ ফিরিয়ে আনতে হবে। ঢাকার পার্ক-উদ্যানগুলো কোনোভাবেই ৫ শতাংশের বেশি কংক্রিটে ঢালাই দেয়া যাবে না। ঢাকার মানুষকে ছাদবাগান করতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে এটা বাধ্যতামূলক করতে হবে। চীনে যেভাবে ছাদবাগান এক ধরনের বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, ছাদবাগান হলে এডিস মশা হবে, তো এতদিন যে ছাদবাগান ছিল না এতদিন কি এডিস মশা হয়নি? যারা বাগান করে তারা কখনো টবের ভেতর পানি জমিয়ে রাখে না। এটা করলে তাদের গাছ মরে যাবে। তার মানে ঢাকায় ছাদবাগান বাধ্যতামূলক করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ঢাকায় আর কোনো স্থাপনা করা যাবে না। এটাকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। আপনি পূর্বাচলে যান, সেখানে রাজউক যেটুকু বন রেখেছিল—আসলে রাজউক তো রাখেনি আমরা আন্দোলন করে রাখতে বাধ্য করেছিলাম; সে বনে এখন আগুন দিয়ে দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে। রাজউক পূর্বাচল নিয়ে যা করেছে তা সীমাহীন দুর্নীতির মধ্যে পড়ে। সীমাহীন দুর্নীতি! পূর্বাচল দ্বিতীয় ফেজে গাছের বিপরীতে যে পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিয়েছে, তার অনেক কম ক্ষতিপূরণ দিয়েছে জমি অধিগ্রহণ বাবদ। তাহলে চিন্তা করেন কী পরিমাণ গাছ রাজউক সেখানে কেটেছে। এটা কি ঢাকা শহর মানতে পারে? এ জন্যই তো ঢাকা সবেচেয়ে বেশি তাপমাত্রার শহর হয়ে গেছে এখন। গ্রীষ্ম মৌসুমে ঢাকার তাপমাত্রা দেশের অন্যান্য জায়গা থেকে অনেক বেশি থাকে। এটা কোনো সাধারণ অপরাধ না। এটা ক্রিমিনাল অফেন্স। আমি আবারো বলছি, পূর্বাচলে রাজউক বিপুল পরিমাণ গাছ কেটে প্রকৃতির বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধ করেছে। ঢাকার সবুজ-নীল-বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে হলে রাজউকের পরিচালনা পর্ষদের পুনর্গঠন করতে হবে। সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট আমলাদের দিয়ে যদি আপনি রাজউক চালান, ওই রাজউকও কোনো দর্শন পাবে না, আর সরকার যা বলবে সেসব লোকজন সেগুলোতেই হ্যাঁ বলবে। দেখা যাবে অনেকেই এ থেকে বিভিন্নভাবে সুবিধা নিয়ে নেবে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হবে না। রাজউকের বোর্ডে পরিকল্পনাবিদ রাখতে হবে। আর্কিটেক্ট রাখতে হবে। পরিবেশবিদ রাখতে হবে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ রাখতে হবে। যেমন দক্ষিণ কোরিয়ার উদাহরণ দেয়া যায়। আমার পরামর্শ থাকবে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে একজন বিশেষজ্ঞ নিয়ে আসেন। তাকে বলুন, তিন বছরের মধ্যে আমাদের ঢাকা পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা করে দিন। সেখানে আমাদের দেশীয় মেধাকেও সঙ্গে নিতে হবে। সেগুলো না করে আপনি যদি সেনাবাহিনী থেকে, আমলা থেকে লোক এনে রাজউকের পরিচালনা পর্ষদ ভরে ফেলেন তাহলে তো এভাবে ব্যর্থ প্রকল্প বারবার দেখতে হবে। এটা শুরু করেছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এরশাদের সময় থেকেই রাজউকের ওপর আমরা সব বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি। আগে ওটা ছিল আমাদের ঢাকা ইম্প্রুভমেন্ট ট্রাস্ট (ডিআইটি), এখন সেটার ওপর আমাদের আর ‘‌ট্রাস্ট’ নেই। এখন রাজউক স্রেফ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হয়ে গেছে। খালি উন্নয়ন করে।

রাজধানীর উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের চেয়ে জমি ব্যবসা, ফ্ল্যাট ব্যবসায় বেশি মনোযোগী রাজউক। এর সপক্ষে যুক্তি দেয়া হয়—পরিকল্পিত উন্নয়ন করছে সংস্থাটি। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

রাজউকের আইনে দুটো অপশন আছে। বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন অ্যাক্টে সে নিয়ন্ত্রণ করে। আর টাউন ইম্প্রুভমেন্ট অ্যাক্টে সে মাস্টারপ্ল্যান দিয়ে নিয়ন্ত্রণ এবং ডেভেলপমেন্ট করে। দিল্লি ডেভেলপমেন্ট অথরিটিও তো উন্নয়ন করে। দিল্লি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি তো এত বিতর্কিত না। রাজউক কেন বিতর্কিত? কারণ রাজউকের বোর্ড বিতর্কিত। রাজউকের আইনে ইকোসিস্টেম ও বাসযোগ্যতা শব্দ খুঁজে দিয়েন আমাকে। এগুলো নেই তো। নেই বলেই নতুন করে এগুলো ঢোকাতে হবে। ১৯৫৩ সালের আইন দিয়ে ২০২৩ সালের ঢাকা শহর চলবে না। রাজউকের আইন সংস্কার করতে হবে। তার আগে সংস্কার করতে হবে রাজউকের বোর্ড। এটা করতে হবে সবার আগে।