দেশের বীমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ভালো অবস্থানে রয়েছে বেসরকারি খাতের জীবন বীমা কোম্পানি ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। চার দশকের যাত্রায় ৬৭ লাখ বীমা পলিসি বিক্রয়, ১৭ হাজার ১৮১ কোটি টাকার প্রিমিয়াম আয়, ৫ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকার লাইফ ফান্ড, ৫ হাজার ৫৪৫ কোটি টাকার বিনিয়োগের মাধ্যমে কোম্পানিটির মোট সম্পদ রয়েছে ৬ হাজার ৬৪ কোটি টাকার। ‘ট্রিপল এ’ ক্রেডিট রেটিং অর্জনকারী এ কোম্পানির আর্থিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বণিক বার্তার সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশ নেন কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) প্রবীর চন্দ্র দাস। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আরফিন শরিয়ত। 

সাম্প্রতিক সময়ে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স বীমা খাতে অবদানের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা থেকে পুরস্কৃত হয়েছে। এসব পুরস্কারের অর্থ হলো বীমা খাতে আপনারা ভালো করছেন। আপনার কি মনে হয়, আয়োজকরা কেন আপনাদের যোগ্য মনে করেছে?

আমরা ১৯৮৫ সালের ২৩ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে জীবন বীমা খাতে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ৪০ বছর যাবত বাংলাদেশের মানুষের পাশে রয়েছি। বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে আমরা গ্রাহক তৈরি করতে পেরেছি। মানুষের মাঝে একটা আস্থা সৃষ্টি করতে পেরেছি। ৪০ বছর ধরে যখন একটি প্রতিষ্ঠান নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যায় তখন এর সুনাম আসতে থাকে। প্রথম থেকেই বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রেখে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এ কারণে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে আমরা অনেকগুলো পুরস্কারে ভূষিত হয়েছি। জাতীয় বীমা দিবসে পর পর আমরা শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পেরেছি এবং দাবি পরিশোধে মাইলফলক অর্জন করতে পেরেছি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে ট্যাক্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি, এফবিসিসিআই থেকে এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, দেশের অন্যান্য সংস্থা থেকেও আমরা বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। আমি মনে করি, এটা আমাদের ৪০ বছরের স্বীকৃতি। 

খুব সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার হিসাববিদদের সংগঠন সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্টেন্ট (সাফা) থেকে সাফা গোল্ড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। বাংলাদেশের ৫২ বছরে প্রথম কোনো জীবন বীমা কোম্পানি এ পুরস্কার পেয়েছে। এর বাইরেও ইন্ডিয়া চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি), লন্ডন থেকেও আমরা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। সামাজিক দায়বদ্ধতা, সবুজ অর্থায়নসহ সরকারের প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রমের সঙ্গে আমরা থাকি। করপোরেট গভর্ন্যান্স, অর্থনৈতিক সুশাসন, আর্থিক বিবরণীর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনা করে তারা আমাদের পুরস্কৃত করেছে। 

বহুজাতিক কোম্পানির সঙ্গে দেশীয় কোম্পানির যদি তুলনা করে বলি- মেটলাইফ এবং ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের মধ্যে কোনটাকে সবচেয়ে বেশি ভালো বলবেন। একদম নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে...

এটা একটু অন্যভাবে বলতে হবে। মেটলাইফ বাংলাদেশ সৃষ্টির শুরু থেকে আমেরিকান বীমা কোম্পানি অ্যালিকোর মাধ্যমে এখানে বীমা সেবা প্রদান করছে। আর ন্যাশনাল লাইফ বীমা সেবা দিচ্ছে ১৯৮৫ সাল থেকে। যার দরুণ এক লেভেলে এনে তুলনা করা যাবে না। 

আমরা ৪০ বছর ধরে সেবা প্রদান করছি এখানকার মানুষের সঙ্গে থেকে। আমাদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত হয়েছেন, আমাদের পরিচালক, ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্য এখানকার মানুষকে সেবা প্রদান করা। আমরা এ দেশে ইনকরপোরেশনে সবার চেয়ে এগিয়ে। আমরা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হয়েছি। আমাদের উদ্ধৃত অর্থ এ দেশের মানুষের কাছেই যায়। ট্যাক্সের মাধ্যমে একটি যায়, আরেকটি হচ্ছে এদেশের মানুষই এ কোম্পানির মালিক। 

মেটলাইফের কিছু প্রোডাক্ট আছে আমাদের থেকে ভালো, আবার আমাদের কিছু প্রোডাক্ট আছে মেটলাইফের থেকে ভালো, আমাদের বোনাস লেভেল ভালো। কিছুক্ষেত্রে আমরা রেট অব রিটার্ন তাদের থেকে ভালো দিতে পেরেছি। যার দরুণ আমাদের কিছু প্রোডাক্ট ভালো অবস্থায় রয়েছে। আমরা চিন্তা করি, মানুষকে সেবা দেয়া, সময়মতো দাবি পরিশোধ করা। 

প্রতিটি জেলা, থানা পর্যায়ে আমাদের অফিস রয়েছে, কুমিল্লা, চট্টগ্রামে আমাদের জায়গা রয়েছে, পাঁচটি এনএলআই টাওয়ার রয়েছে। এটাই আমাদের স্থায়িত্বের উদাহরণ। এজন্য আমরা অনেক জায়গায় মেটলাইফ থেকে এগিয়ে আছি।

আপনাদের বিনিয়োগের কথা বলছিলেন। বীমা কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ভুল বিনিয়োগ বিষয়ে নানা সময়ে আলোচনা হয়। বিনিয়োগে আপনারা কেমন করছেন? 

কভিডের পর বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর এফডিআরের রেট অব রিটার্ন ৫ এর মধ্যে ছিল। ২০২৩ সালের জুনের পর রেট একটু বেড়েছে। তার আগে ভালো ব্যাংকগুলোও ৪ থেকে ৫ এর বেশী রিটার্ন দিতে পারেনি। এ রেট অব রিটার্ন ধরে রাখার জন্য আইডিআরের (বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ) রেগুলেশন হুবহু অনুসরণের চেষ্টা করি। ২০১৯ সালের বিনিয়োগ প্রবিধানমালা অনুসারে একটি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের ৩০ শতাংশ ট্রেজারি বন্ডে, সেখানে আমরা ৪২ শতাংশ রেখেছি। তার রেট অব রিটার্ন পেয়েছি ১২ শতাংশ করে। 

বিভিন্ন ব্যাংকে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার মতো আমাদের লিকুইড ফান্ড রয়েছে। সাবঅর্ডিনেট বন্ডে বিনিয়োগ করেছি, যেখানে মার্কেট রেটের সঙ্গে ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি থাকে। আমরা সেখানেও বিনিয়োগ করেছি। শেয়ার মার্কেট ভালো অবস্থানে থাকলে আমরা ভালো শেয়ারে থাকি, দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করি। আমাদেরকে শেয়ার বাজারের ম্যানুপুলেট ওয়েতে বিনিয়োগের রিটার্ন নিতে দেখবেন না। বিনিয়োগ, রিটার্ন এবং রিটার্নেটর ডিভিডেন্ট, ক্যাপেটাইল গেইনে আমরা থাকার চেষ্টা করি। এ সমন্বয় আমরা করে থাকি। 

আমাদের এখন ছয় হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। ৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকার লাইফ ফান্ড বিনিয়োগে রয়েছে। যার কারণে আমাদের রেট অব রিটার্ন ভালো, টাকাকেও আমি লিকুইডভাবে রাখতে পেরেছি। এ বিনিয়োগ থেকে প্রতি বছর ৩৫০ কোটি টাকার বেশি রিটার্ন আসছে, এখন তো ৩৭০ কোটি পার হয়েছে। এগুলোর ব্যবস্থাপনা আমরা ভালোভাবে করছি, যার কারণে আমরা সঠিক সময়ে বীমা দাবি পরিশোধ করতে পারছি। 

করোনা পরবর্তীতে বীমা কোম্পানিগুলোকে বীমা দাবি পরিশোধে ব্যর্থ হতে দেখা যায়। এর কারণ কী?

করোনা পরবর্তী সময়ে আমাদের এখানে অনেকগুলো কোম্পানি বীমা দাবি পরিশোধের সক্ষমতা হারিয়েছে। এর বড় কারণ তাদের প্রিমিয়াম আহরণের সক্ষমতা কমে যাওয়া। কভিডের সময় যখন বাংলাদেশের মানুষ যখন ঘর থেকে বের হতে পারেনি তখন পরিস্থিতি শিথিল হওয়ার পর আমরা মানুষের মাঝে যেতে পেরেছি। আমাদের এজেন্ট, কর্মকর্তাদের মাঠে পাঠাতে পেরেছি। তখন যার যত দাবি ছিল আমরা আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সে দাবিগুলো পরিশোধ করেছি। মানুষকে যখন তাদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে তাদের দাবি যখন পরিশোধ করলাম মানুষজন বিশ্বাস করতে শুরু করল এবং আরো পলিসি তৈরি করতে উৎসাহিত হলো। আমাদের এজেন্ট, কর্মীদের কমিশন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছি। অনলাইনের মাধ্যমে এফডিআর, ট্রেজারি বন্ডসহ সব ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ক্রয় করি। এরপর আমাদের কর্মীদের মাধ্যমে আমরা ব্যবসাকে আরো বড় করতে পেরেছি। 

এ সময়ে আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলো পিছিয়ে গেছে। ২০২০, ২১, ২২ সালে তাদের ব্যবসা কমে গেছে, ফলে তারা আর দাবি সময়মতো পরিশোধ করতে পারেনি। যার কারণে করোনা পরবর্তী সময়ে ন্যাশনাল লাইফ অন্য সব কোম্পানি থেকে এগিয়ে গেছে। 

দেশের বীমা কোম্পানিগুলোতে অ্যাকচুয়ারির সংকট রয়েছে। আইডিআরএ অ্যাকচুয়ারি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। তাতেও কিছুটা হোচট খাচ্ছে, যোগ্য ব্যক্তি খুঁজে পেতে কষ্ট হচ্ছে। আপনারা কি করছেন?

অ্যাকচুয়ারি নিয়ে আমরা কাজ করছি। বর্তমানে আমাদের কনসালট্যান্ট অ্যাকচুয়ারি হিসেবে আছেন ড. সোহরাব উদ্দিন। তিনি অত্যন্ত অভিজ্ঞ মানুষ। দেশের বীমা খাতকে উনি নিজের কর্মদক্ষতার আলোকে ধরে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বর্তমানে অ্যাকচুরিয়াল ডিপার্টমেন্টে জনবল বৃদ্ধি করার এবং বীমা খাতে যাতে মেধাবীরা আসতে পারে সেজন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমরা একটি চুক্তি করেছি। সেখানে কেউ যদি বীমাকে মেজর সাবজেক্ট হিসেবে নেয় তাহলে তাদেরকে ইন্টার্নশিপে নিচ্ছি এবং তাদের চাকরির ক্ষেত্রও আমরা তৈরি করে দেব। তাদের কেউ যদি অ্যাকচুরিয়াল সায়েন্স পড়তে চায় কোম্পানি থেকে তাদের ফান্ডিং করব। 

আপনারা কর্মীদের প্রশিক্ষণের কোনো ব্যবস্থা রেখেছেন?

আমাদের বিজনেসের সঙ্গে যারা জড়িত, অফিসিয়ালদের দেশের মধ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি, দেশের বাইরেও প্রশিক্ষণ নেয়ার জন্য সুযোগ করে দিচ্ছি। আমাদের ডেস্ক লেভেলে যারা রয়েছে তাদেরকে ট্যাক্স, ভ্যাট, রেগুলেটরি ইস্যুসহ সব বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। ব্যাংকাসুরেন্সের ক্ষেত্রে ভারত আমাদের থেকে ২৩ বছর এগিয়ে আছে। তাদের থেকে আমরা অভিজ্ঞতা নেয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের কর্মীদের নিয়ে ভারতের এলআইসি (ভারতীয় জীবন বীমা কোম্পানি) অফিস পরিদর্শন করে এসেছি। আমাদের কর্মীদের আমরা সব সময় আপডেট রাখার চেষ্টা করছি। 

চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে ব্যাংকাসুরেন্স শুরু হলো। দেড় মাসের অভিজ্ঞতা কেমন?

ব্যাংকান্সুরেন্স বাংলাদেশে এক নতুন দিগন্ত শুরু করেছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ অতি সহজেই বীমার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবে। মানুষ বীমা অফিসে আসে না, কিন্তু ব্যাংকে যায়। ব্যাংকে যখন যাবে তখন ব্যাংকের পক্ষ থেকে বীমার অফার দেয়া সম্ভব হবে। এতে বীমা পেনিট্রেশন বাড়বে এবং মানুষ বীমার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হবে। এর মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ঘটবে। বাংলাদেশের মানুষের বীমার প্রতি ভয়-ভীতি, আস্থার সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। 

ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

সবকয়টি ব্যাংকই ন্যাশনাল লাইফের সঙ্গে কাজ করতে চাচ্ছে। কিন্তু তিনটি ব্যাংকের বেশি কাজ করা সম্ভব নয় বিধায় এখন প্রাইম ব্যাংক ও আরো দুটি ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করার প্রক্রিয়া চলমান। এ খাত ম্যাচিউরড হওয়ার পর ব্যাংক সংখ্যার সীমাবদ্ধতা তুলে দেয়া হবে হয়তো, ভারতে এখন নয়টি ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করা সম্ভব। এতে করে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে। 

ভারতে এনআইএ (ন্যাশনাল ইনস্যুরেন্স একাডেমি) আছে, বাংলাদেশে বিআইএ (বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স একাডেমি) রয়েছে। বিআইএ কেমন করছে?  

আমাদের আরো অনেক বেশি ফোকাস দেয়ার বিষয় রয়েছে। দেশের বীমা খাতে যারা কর্মরত রয়েছে, তাদের আরো বেশি প্রচেষ্টা নিতে হলে বিভিন্ন ধরনের ডিগ্রির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে হবে। বিআইএর আরো বেশি এ ধরনের প্রোগ্রামের সঙ্গে থাকতে হবে। আরো বেশি প্রমোশনাল কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য সরকারের উচিত বিআইএকে সহযোগিতা করা। 

সামনে বাজেট আসেছে। কর ব্যবস্থা নিয়ে আপনাদের প্রত্যাশা কী?

আমাদের এক লাখ ৩১ হাজার এজেন্ট আছে, যারা আমাদের প্রিমিয়াম এনে দেয়। এর বাইরে আরো এক লাখ এজেন্ট আছে, যারা মাঝেমধ্যে বিজনেস এনে দিতে পারে। এদের কমিশনের ওপর ৫ শতাংশ কর কেটে নেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা একটা বিজনেস এনে দেয়ার পর তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। এজেন্টদের ওপর কর কেটে নেয়ার বিষয়টি যদি বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে তাহলে এজেন্টরা এ খাতে থাকতে আরো বেশি উৎসাহিত হবে। স্বাস্থ্য বীমার ওপর কর দিতে হচ্ছে, এসবের ওপর কর কমানো সম্ভব হলে মানুষ বীমার সঙ্গে আরো বেশি করে সম্পৃক্ত হবে। 

বণিক বার্তার পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনাকেও ধন্যবাদ।