সাব-সাহারা অঞ্চলের বৃহত্তম শহর লাগোস। নাইজেরিয়ার এ বাণিজ্যিক রাজধানীর জনসংখ্যা ২ কোটির বেশি। এ সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছেই। সেই সঙ্গে রাস্তাঘাটের অবস্থা করুণ। ফলে দীর্ঘ যানজট নিত্যদিনের যন্ত্রণায় পরিণত হয়েছে। এ শহরকে আরো সচল করতে বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দেশটির সরকার। এর অংশ হিসেবে গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগোসে বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত মোটরসাইকেল ও থ্রি-হুইলার চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যদিও শহরে দৈনিক চলাচলের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাহন এগুলো। এসব বাহনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি স্টার্টআপ। বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। জড়িয়ে আছে হাজার হাজার মানুষের জীবিকা। এ কারণে সরকারের হঠাৎ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন তারা। গতকাল শনিবার টু ও থ্রি-হুইলারের চালকরা প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন। তারা বলছেন, জীবিকার বিকল্প ব্যবস্থা না করে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত কিছু মানুষকে পথে বসিয়ে দেবে। এর ফলে শুধু এর সঙ্গে জড়িত চালক ও বিনিয়োগকারীরাই ক্ষতির মুখে পড়ছে না বরং, অফিস আদালত ও স্কুল-কলেজগামী মানুষেরাও ভোগান্তিতে পড়েছে। এভাবে সমস্যার কোনো সমাধান সম্ভব নয়। সর্বোপরী এ নিষেধাজ্ঞার ফলে জাতীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে।
তবে সরকার বলছে, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার শহর লাগোসে অবকাঠামো সমস্যা দিন দিন প্রকট হয়ে উঠছে। সমস্যা সমাধানে গত কয়েক বছরে কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে লাগোস স্টেইট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি গণপরিবহন সেবা চালু করেছে। পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন এ কর্তৃপক্ষ শহরে ট্রাফিক জ্যাম ও ঘন ঘন সড়ক দুর্ঘটনা নিরসনে চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রয়োজনে আরো বেশি বাস নামানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার। অবশ্য বিক্ষোভকারীরা বলছেন, সরকারের এসব পদক্ষেপ সত্ত্বেও এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। লাগোসে সমস্যার শেষ নেই। রাস্তার দালাল, চাঁদাবাজ, ভাঙাচোরা রাস্তা এসব আগে ঠিক করতে হবে।
লাগোসের অন্যতম বৃহৎ মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার স্টার্টআপ গোডাকা। সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে বলতে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এ ধরনের উদ্যোগ। তবে স্টার্টআপটির উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহ অন্যদের মতো করে ভাবছেন না। তিনি সরকারের অবস্থানকে বাস্তব বলেই মানছেন। অন্যখাতে বিনিয়োগের চিন্তাভাবনা করছেন তিনি।
ফাহিম বলেন, একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনাকে সব সময় সম্ভাবনার দিকটি দেখতে হবে। আমি মনে করি, যখন আপনি উদীয়মান অর্থনীতির দেশে পরিণত হতে যাবেন তখন আপনাকে এ ধরনের বিষয় আগে থেকেই ধারণা করে রাখতে হবে।
তিনি স্বীকার করেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের নেতিবাচক দিক হলো কিছু মানুষ কাজ হারাবেন। কিন্তু তিনি খুব দ্রুতই আরেকটি সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের সুযোগ দেখছেন। এর মধ্যে একটি হলো, জলপথ পরিবহন। ফাহিম সালেহ বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ এ ব্যবসার (রাইড শেয়ার) অন্য অংশে নজর দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বহু লোক আছেন যারা মটরসাইকেলে চড়ার কথা স্বপ্নেও ভাবেননি তাদের জন্য গোডাকা একটি সুযোগ করে দিয়েছিল। আমরা এবার নৌকাকে কেন্দ্র করে একই ধরনের কৌশল নিয়ে এগোবো। মানুষকে বোঝাবো, ঠিকমতো পরিচালনা করতে পারলে নৌকা পরিবহন অন্য যেকোনো যানবাহনের চেয়ে নিরাপদ।
সূত্র: আল জাজিরা
যদিও শহরে দৈনিক চলাচলের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাহন এগুলো। এসব বাহনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি স্টার্টআপ। বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। জড়িয়ে আছে হাজার হাজার মানুষের জীবিকা। এ কারণে সরকারের হঠাৎ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন তারা। গতকাল শনিবার টু ও থ্রি-হুইলারের চালকরা প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন। তারা বলছেন, জীবিকার বিকল্প ব্যবস্থা না করে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত কিছু মানুষকে পথে বসিয়ে দেবে। এর ফলে শুধু এর সঙ্গে জড়িত চালক ও বিনিয়োগকারীরাই ক্ষতির মুখে পড়ছে না বরং, অফিস আদালত ও স্কুল-কলেজগামী মানুষেরাও ভোগান্তিতে পড়েছে। এভাবে সমস্যার কোনো সমাধান সম্ভব নয়। সর্বোপরী এ নিষেধাজ্ঞার ফলে জাতীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে।
তবে সরকার বলছে, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার শহর লাগোসে অবকাঠামো সমস্যা দিন দিন প্রকট হয়ে উঠছে। সমস্যা সমাধানে গত কয়েক বছরে কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে লাগোস স্টেইট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি গণপরিবহন সেবা চালু করেছে। পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন এ কর্তৃপক্ষ শহরে ট্রাফিক জ্যাম ও ঘন ঘন সড়ক দুর্ঘটনা নিরসনে চেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রয়োজনে আরো বেশি বাস নামানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার। অবশ্য বিক্ষোভকারীরা বলছেন, সরকারের এসব পদক্ষেপ সত্ত্বেও এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। লাগোসে সমস্যার শেষ নেই। রাস্তার দালাল, চাঁদাবাজ, ভাঙাচোরা রাস্তা এসব আগে ঠিক করতে হবে।
লাগোসের অন্যতম বৃহৎ মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার স্টার্টআপ গোডাকা। সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে বলতে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এ ধরনের উদ্যোগ। তবে স্টার্টআপটির উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহ অন্যদের মতো করে ভাবছেন না। তিনি সরকারের অবস্থানকে বাস্তব বলেই মানছেন। অন্যখাতে বিনিয়োগের চিন্তাভাবনা করছেন তিনি।
ফাহিম বলেন, একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনাকে সব সময় সম্ভাবনার দিকটি দেখতে হবে। আমি মনে করি, যখন আপনি উদীয়মান অর্থনীতির দেশে পরিণত হতে যাবেন তখন আপনাকে এ ধরনের বিষয় আগে থেকেই ধারণা করে রাখতে হবে।
তিনি স্বীকার করেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের নেতিবাচক দিক হলো কিছু মানুষ কাজ হারাবেন। কিন্তু তিনি খুব দ্রুতই আরেকটি সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগের সুযোগ দেখছেন। এর মধ্যে একটি হলো, জলপথ পরিবহন। ফাহিম সালেহ বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ এ ব্যবসার (রাইড শেয়ার) অন্য অংশে নজর দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বহু লোক আছেন যারা মটরসাইকেলে চড়ার কথা স্বপ্নেও ভাবেননি তাদের জন্য গোডাকা একটি সুযোগ করে দিয়েছিল। আমরা এবার নৌকাকে কেন্দ্র করে একই ধরনের কৌশল নিয়ে এগোবো। মানুষকে বোঝাবো, ঠিকমতো পরিচালনা করতে পারলে নৌকা পরিবহন অন্য যেকোনো যানবাহনের চেয়ে নিরাপদ।
সূত্র: আল জাজিরা










