ক্যান্সার ভয়াবহ রোগ। ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা যেমন সময়সাপেক্ষ, তেমনি এ রোগের চিকিৎসায় ব্যয়ও হয় অনেক অর্থ। আবার ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তির সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও কম।
এদিকে সব ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হলো অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াসের ক্যান্সার। এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া খুবই কঠিন। সামান্যসংখ্যক রোগী এ রোগে আক্রান্ত হলে সুস্থ হয়। তবে কিছু কিছু বিষয় এ রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। সেগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো:
ওবেসিটি: ওজন বেশি থাকা এ ক্যান্সারের অন্যতম লক্ষণ। এক্ষেত্রে ওজন বেশি থাকলে শরীরে এমন কিছু হরমোন বাড়তে থাকে, যা সমস্যা তৈরি করতে পারে। অনেক গবেষণায় এ কথ্য উঠে এসেছে। তাই ওজন বেশি থাকলে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। সেক্ষেত্রে ওজন কমিয়ে আনা জরুরি।
ডায়াবেটিস: ডায়াবেটিসের সঙ্গে প্যানক্রিয়াসের সম্পর্ক রয়েছে। কারণ ডায়াবেটিস থাকলে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন কম বের হয়। অনেক ক্ষেত্রে একেবারে বের হয় না। ইনসুলিন একেবারেই বের না হলে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। কারণ ইনসুলিন বের না হলে প্যানক্রিয়াসের কোষে সমস্যা দেখা দিতে পারে, যার ফলে তা রূপ নিতে পারে প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সারে।
রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলে: বিভিন্ন রাসায়নিকের সংস্পর্শে এলেও শরীরে দেখা যেতে পারে এ সমস্যা। এক্ষেত্রে অ্যাসবেস্টস, নিকেল, ক্রোমিয়াম, সার ইত্যাদি থেকে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিক: অগ্ন্যাশয়ের দীর্ঘকালীন প্রদাহের সমস্যাকে বলে ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিক। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিসের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সমস্যা হঠাৎ করেই বাড়তে শুরু করলে সতর্ক থাকতে হবে।
সিগারেট খাওয়া: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা নিয়মিত ধূমপান করেন তাদের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। তাই অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ধূমপান ত্যাগ করা জরুরি।










