অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই খাবারদাবারের দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। কিছু খাবার আছে যা রোগীর রোগ প্রতিরোধ করবে। যেমন:

পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার: সুষম ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করার জন্য প্রয়োজন। রোগীর শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে বিভিন্ন ফল, শাকসবজি, শস্য ও চর্বিযুক্ত প্রোটিন গ্রহণ করতে হবে। পর্যাপ্ত পুষ্টি প্রতিরোধক্ষমতা ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার যেমন বেরি, শাকসবজি ও বাদামে বিদ্যমান ফ্রি র‌্যাডিক্যালগুলো ক্ষয় হওয়া থেকে কোষগুলো রক্ষা করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাধারণত স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে ধারণা করা হয়।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সাধারণত সামুদ্রিক মাছে পাওয়া যায়। স্যামন ও ফ্লেক্সসিডের মতো ফ্যাটি ফিশে পাওয়া যায়। এটি অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ কমায়, যা ক্যান্সার কোষের বিকাশকেও বাধাগ্রস্ত করে। যদিও ক্যান্সার রোধে এর কার্যকারিতা প্রমাণের জন্য আরো গবেষণা প্রয়োজন।

হলুদ: হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিইনফ্লামেটরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য, যা অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার বৃদ্ধির কোষকে বাধা দেয়।

গ্রিন টি: গ্রিন টিতে পলিফেনল বিদ্যমান, যার মধ্যে রয়েছে এপিগালোক্যাচিন গ্যালেট (ইজিসিজি)। কিছু গবেষণায় দেখা যায় এটি সম্ভাব্য ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর। সাধারণত গ্রিন টি সেবনকে নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

অনুশীলন ও শারীরিক ক্রিয়াকলাপ: নিয়মিত ব্যায়াম ও শারীরিক কার্যকলাপ ক্যান্সার রোগীদের অনেক সুবিধা দিতে পারে। এর মধ্যে শারীরিক শক্তি বাড়ানো, দুর্বলতা কমানো, মন প্রফুল্ল রাখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া কোনো ব্যায়াম শুরু করার আগে অবশ্যই যে চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা গ্রহণ করা হচ্ছে তার সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। কারণ রোগীর স্বাস্থ্যের অবস্থার ওপর নির্ভর করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন কী ধরনের শারীরিক ব্যায়াম তার জন্য উপযোগী।