পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যায় অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ভারতের একটি আদালত। গতকাল সোমবার (২০ জানুয়ারি) পশ্চিমবঙ্গের শিয়ালদহে অবস্থিত কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত এই রায় দেন। খবর বিবিসি।
এ মামলায় অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার দাবি ছিল ভুক্তভোগীর পরিবার ও কলকাতার চিকিৎসকদের। তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বিচারক জানান, কলকাতার হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক সঞ্জয় রায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং তিনি বাকি জীবন কারাগারে কাটাবেন।
সঞ্জয় রায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে গেছেন। উচ্চতর আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রত্যাশা রয়েছে তার।
অন্যদিকে, ভুক্তভোগীর পরিবার বলেছে যে তারা দোষী ব্যক্তিকে ফাঁসি দেয়ার দাবি জানিয়েছিল এবং এই রায়ে তারা বিস্মিত।
সাজা ঘোষণার পরপরই, ডজন খানেক চিকিৎসক আদালতের বাইরে প্রতিবাদ করে জানান, তারা তদন্ত ও সাজা নিয়ে সন্তুষ্ট নন। এই হত্যা ও ধর্ষণ মামলার পুনঃতদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নিহত চিকিৎসকের মা–বাবা। আগামী ১৭ মার্চ সেই আবেদনের শুনানি হবে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। ভুক্তভোগীর মা–বাবা বলেছেন, শুধু একজন এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারেন না। সিবিআইকে অন্য অপরাধীদেরও খুঁজে বের করে দিতে হবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ আগস্ট এক ইন্টার্ন নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটনা ঘটে। এর পরপরই ভারতজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। জুনিয়র চিকিৎসকরা দেশের অনেক অংশে বিচারের দাবিতে রোগী দেখতে অস্বীকৃতি জানান। তারা ভুক্তভোগীর বিচার এবং হাসপাতালে নারীদের নিরাপত্তা দাবি করেন।










