‘কীভাবে শিখতে হবে তা শিখতে পারাই’ হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। ২০২৪ সালের নোবেল বিজয়ী ও গুগলের শীর্ষ বিজ্ঞানী ডেমিস হাসাবিস সম্প্রতি প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে আলোচনায় এমন মন্তব্য করেন। এআই প্রযুক্তি শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মপরিবেশ পরিবর্তন করায় মানুষকে দ্রুত নতুন দক্ষতা অর্জনের এবং পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সক্ষমতা থাকতে হবে বলে মনে করেন তিনি। খবর এপি।
অ্যাথেন্সের অ্যাক্রোপলিসের পাদদেশে প্রাচীন রোমান থিয়েটারে ভাষণকালে গুগলের ডিপমাইন্ডের সিইও হাসাবিস বলেন, ‘দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শেখার ও দক্ষতা অর্জনের নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্রুত উন্নত হওয়ায় প্রচলিত শিক্ষার পদ্ধতি আর যথেষ্ট নয়।’
হাসাবিস আরো বলেন, ‘ভবিষ্যৎ, যেমন দশ বছর পরে কী হবে তা পূর্বানুমান করা সাধারণ অবস্থাতেও কঠিন। আর আজকের দিনে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এত দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তা আরও কঠিন।’
গণিত, বিজ্ঞান ও প্রচলিত বিষয়ের পাশাপাশি ‘মেটা-স্কিল’ বা শেখার কৌশলগুলো শেখাও প্রয়োজন বলে জোর দিয়েছেন তিনি। যেমন কীভাবে দক্ষভাবে শেখা যায় এবং নতুন বিষয়গুলো কীভাবে দ্রুত আয়ত্ত করা যায়।
তিনি বলেন, ‘পুরো কর্মজীবনজুড়ে ক্রমাগত শেখার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে সবাইকে। এছাড়া শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার জানলেই হবে না, বুঝতে হবে কীভাবে সেটা কাজ করে। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল আর গণিত (এসটিইএম) বিষয়ে ভালো ভিত্তির পাশাপাশি দরকার কিছু অতিরিক্ত দক্ষতা—যেমন শেখার আগ্রহ, মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতা, সৃজনশীলতা।’
ডিপমাইন্ডের এ সহ-প্রতিষ্ঠাতা ২০১০ সালে লন্ডনভিত্তিক গবেষণা ল্যাবটি শুরু করেছিলেন এবং চার বছর পর গুগল এটি অধিগ্রহণ করে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ডেমিস হাসাবিস।










