সাইবার হামলা প্রতিনিয়ত বাড়ছে ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়ছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটারের পাশাপাশি এখন বাসায় বা অফিসে থাকা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কও হ্যাক করা সম্ভব। বিশেষ করে বাসায় থাকা ওয়াই-ফাইয়ে বেশি হামলা হয়। হ্যাক করার পর হামলাকারী চাইলে যেকোনো ডিভাইসের তথ্য হাতিয়ে নিতে পারবে। 

বাসায় বা অফিসে থাকা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক হ্যাক হয়েছে কিনা সেটি বোঝার জন্য বেশকিছু বিষয়ের তথ্য উঠে এসেছে মেক ইউজ অবের এক প্রতিবেদনে। এগুলো হলো:

ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়া: ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক হ্যাক হওয়ার পর প্রথম যে সমস্যা হতে পারে তা হলো ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়া। কেননা হ্যাকার যখন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তখন সেই ডিভাইসে সংযোগ দেয়ার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহৃত হয়। তখন স্বাভাবিকের তুলনায় কম গতি পাওয়া যায়।

নেটওয়ার্কে অপরিচিত কোনো ডিভাইস থাকা বা নতুন আইপি: ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক সেটআপের জন্য রাউটার ব্যবহার করতে হয়। সেখানে ব্যবহারকারীর আইপি ঠিকানা থাকে। নেটওয়ার্ক হ্যাক হলে সেখানে নতুন ডিভাইস ও আইপি ঠিকানা দেখা যাবে। এ ঠিকানা থেকে ব্যবহারকারীর ডিভাইসে প্রবেশের মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হতে পারে। তাই নতুন ডিভাইস বা আইপি ঠিকানার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

হঠাৎ করেই ওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন: সাইবার হামলার মাধ্যমে কারো ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে প্রবেশের পর হামলাকারী পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে দিতে পারে। এতে নতুন করে কোনো ডিভাইস নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারবে না। ব্যবহারকারী যদি পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে তাহলে এটি হ্যাক হওয়ার লক্ষণ।

ডিভাইস বা কম্পিউটারে অজানা সফটওয়্যার: ইন্টারনেট বা ওয়াই-ফাই হ্যাক করার পর তথ্য হাতিয়ে নেয়ার জন্য হ্যাকাররা বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে। ব্যবহারকারীর অজান্তেই এগুলো ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে যায়। বিশেষ করে হামলাকারীরা ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে দিয়ে থাকে। তাই ডিভাইসে অজানা কোনো সফটওয়্যার দেখলে সেটি আনইনস্টল এবং নেটওয়ার্কের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে হবে।