গেমিং শিল্পে নারীদের সংখ্যা বাড়ায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন গিল্ডফোর্ড গেমিং ফেস্টিভ্যালের এক আয়োজক। অনুষ্ঠানের সহআয়োজক লরেন কার্টার বলছেন, ‘অনেকেই এখন গেমিংকে চমৎকার পেশা হিসেবে গ্রহণ করছে। বিশেষ করে, আরো বেশি নারী ও ডেভেলপারদের অংশগ্রহণ এ খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’ খবর বিবিসি।
গিল্ডফোর্ড. গেমস ফেস্টিভ্যালের সহসংগঠক লরেন কার্টার জানান, গেমিং শিল্পে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ার পর এখনো এক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়ার অনেক সুযোগ রয়েছে। গেমিং শিল্পে প্রবেশের জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য নতুন নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যখন আমি এ শিল্পে কাজ শুরু করি, তখন ৯০ শতাংশ পুরুষ ও ১০ শতাংশ নারী ছিল। কিন্তু গত ১০-১৫ বছরে এ অনুপাত এখন ৫০-৫০ হয়েছে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে নারীদের সংখ্যা আরো বেশি।’
লরেনের মতে, গেমিং যে একটি দুর্দান্ত পেশা হতে পারে, তা সবাই এখন বুঝতে পেরেছে। শিল্পটির প্রতিযোগিতা বাড়ছে, কিন্তু এর মানে এই নয় যে নতুনদের জন্য সুযোগ নেই। গেমিং শিল্পে দক্ষতা ও আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে গেলে সাফল্য পাওয়া সম্ভব বলে অভিমত তার।
শুক্রবার যুক্তরাজ্যের গিল্ডফোর্ডে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় হাজার মানুষ অংশ নেয়।
গিল্ডফোর্ড. গেমস ফেস্টিভ্যাল ২০১৯ সালে যাত্রা করে এবং এটি গেম ডেভেলপারদের আলোচনা ও সেশনের মাধ্যমে শিল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। এছাড়া এ ইভেন্ট গেমিং শিল্পে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য তাদের কাজ উপস্থাপন করার একটি অনন্য সুযোগ তৈরি করে।
চলতি বছর ফেস্টিভ্যালটি দুটি অংশে বিভক্ত হয়েছে। প্রথম অংশটি হলো ডেভেলপারস সামিট, যা গেমিং শিল্পের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি। দ্বিতীয় অংশটি হলো মূল আয়োজন, যেখানে উদীয়মান গেম ডেভেলপারদের জন্য বিশেষ সহায়তা ও সমর্থন দেয়া হবে।










