বিশ্বের বহুল ব্যবহৃত মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। মোটামুটি প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে মেটা প্লাটফর্মস ইনকরপোরেটেডের মালিকানাধীন অ্যাপটি ব্যবহার করা যায়। তবে সময়ের পরিবর্তনে হোয়াটসঅ্যাপে আরো ফিচার যোগ করা হচ্ছে। এসব ফিচার ব্যবহার করতে ন্যূনতম যেসব শর্তের প্রয়োজন হতে পারে, সেগুলো কিছু পুরনো স্মার্টফোন পূরণ করছে না। ফলে ওইসব ডিভাইসে আর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না। খবর দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
ইতালিভিত্তিক প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট এইচডিব্লগ অনুসারে, ১৯টি ভিন্ন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকসেস বন্ধ হয়ে যাবে। মূলত যেসব ডিভাইসে অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট বা তার আগের সংস্করণ ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোয় অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে না। এ স্মার্টফোনগুলোয় ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো মেটার অ্যাপগুলোর ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তালিকায় থাকা স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে এইচটিসি ও এলজি ব্র্যান্ডও রয়েছে।
মোটামুটি ১০ বছর পুরনো স্মার্টফোনগুলোয় হোয়াটসঅ্যাপের অ্যাকসেস বন্ধ হচ্ছে। পাঁচ-ছয় বছরের পুরনো ফোন হলে আপাতত ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে তালিকায় থাকা মডেল হলে যত দ্রুত সম্ভব হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট গুগল অ্যাকাউন্টে ব্যাকআপ করে নেয়া জরুরি। এতে অ্যাকসেস বন্ধ হলেও চ্যাট নতুন ফোনে পুনরুদ্ধার করা যাবে।
২০২৫ সালের প্রথম দিন থেকে যেসব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপের অ্যাকসেস বন্ধ হচ্ছে—স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৩, স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ২, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৩, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৪ মিনি, মটো জি (ফার্স্ট জেনারেশন), মটোরোলা রেজার এইচডি, মটো ই ২০১৪, এইচটিসি ওয়ান এক্স, এইচটিসি ওয়ান এক্স প্লাস, এইচটিসি ডিজায়ার ৫০০, এইচটিসি ডিজায়ার ৬০১, এইচটিসি অপ্টিমাস জি, এইচটিসি নেক্সাস ৪, এলজি জি২ মিনি, এলজি এল৯০, সনি এক্সপেরিয়া জেড, সনি এক্সপেরিয়া এসপি, সনি এক্সপেরিয়া টি ও সনি এক্সপেরিয়া ভি।










