ভিডিও গেমস শিল্পে খরচ কমানো ও কাজের গতি বাড়াতে এখন ৮৭ শতাংশ নির্মাতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছেন। বিশেষত কাজকে স্বয়ংক্রিয় ও সহজ করতে এআই এজেন্ট কাজে লাগানো হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে রেকর্ডসংখ্যক ছাঁটাইয়ের পর খাতটি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর জোর দিচ্ছে বলে গুগল ক্লাউডের এক জরিপে উঠে এসেছে। খবর রয়টার্স।
জরিপে অংশ নেয়া অধিকাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, এআই তাদের জটিল ও বারবার করতে হয় এমন কাজ স্বয়ংক্রিয় করছে। এতে ডেভেলপাররা আরো সৃজনশীল কাজে মনোযোগ দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। খরচ বেড়ে যাওয়া এবং গেম তৈরির প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ার মতো জটিলতা মোকাবেলায় গেম প্রকাশকরা এআই ব্যবহার করছেন।
গুগল ও দ্য হ্যারিস পোলের যৌথভাবে করা এ গবেষণায় জুন শেষ ও জুলাই শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড এবং সুইডেনের ৬১৫ জন গেম ডেভেলপারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৪৪ শতাংশ নির্মাতা এআই এজেন্ট ব্যবহার করছেন কনটেন্ট অপ্টিমাইজ করা এবং টেক্সট, ভয়েস, কোড, অডিও ও ভিডিওর মতো তথ্য দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ করার জন্য। এতে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হচ্ছেন।
তবে ভিডিও গেমস শিল্পে এআই ব্যবহারের বিষয়টি বিতর্কিত। অনেকেই উদ্বিগ্ন এটি চাকরির বাজারে সংকট তৈরি করতে পারে, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করতে পারে এবং বেতন কমিয়ে দিতে পারে।
জরিপে ৯৪ শতাংশ ডেভেলপার মনে করছেন, এআই দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন খরচ কমাবে। প্রায় এক-চতুর্থাংশ নির্মাতা বলছেন, এআই ব্যবহারের ফল বা লাভ কতটা হচ্ছে তা তারা সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারছেন না। একই সঙ্গে এ প্রযুক্তি কাজে লাগানোর খরচও বেশি।










