গুগলের জেমিনি এআই অ্যাসিস্ট্যান্টে প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ব্যবহার হয় কেবল পাঁচ ফোঁটা পানি এবং বিদ্যুতের খরচ প্রায় ৯ সেকেন্ড টেলিভিশন চালানোর সমান। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ দাবি করেছে গুগল। প্রতিষ্ঠানটি আরো জানিয়েছে, জেমিনি গুগলের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ। খবর দ্য ভার্জ।
গুগল আরো জানিয়েছে, প্রতিটি জেমিনি প্রশ্ন থেকে প্রায় দশমিক শূন্য ৩ গ্রাম কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হয়। এর আগে এক গবেষণায় দেখানো হয়েছিল, জেনারেটিভ এআই বড় ডাটা সেন্টারে প্রচুর পানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।
জুলাইয়ে প্রকাশিত গুগলের পরিবেশবিষয়ক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কোম্পানির বিদ্যুৎ ব্যবহার কয়েক বছর ধরে ব্যাপকভাবে বাড়ছে। চার বছরে কোম্পানিটির সব ডাটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ব্যবহার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।
তবে গুগলের অতি সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, গত এক বছরে জেমিনি এআই অ্যাসিস্ট্যান্টের কাজ করার ধরনকে আরো দক্ষ করে তুলেছে গুগল। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ব্যবহৃত বিদ্যুতের পরিমাণ ৩৩ ভাগের এক ভাগে নেেম এসেছে এবং প্রতিটি প্রশ্নের কারণে সৃষ্ট কার্বন ডাই-অক্সাইড ৪৪ ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। যদিও কিছু গবেষক গুগলের দাবিকে পুরোপুরি বিশ্বাস করছেন না।
এ বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক শাওলেই রেনের অভিযোগ, ‘কোম্পানিটি হয়তো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লুকাচ্ছে এবং বিশ্বকে ভুল বার্তা দিচ্ছে।’
তার মতে, গুগল কেবল সার্ভার ঠাণ্ডা করার জন্য ব্যবহৃত পানি হিসাব করছে, তবে সেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যে বিশাল পরিমাণ পানি লাগে তা বাদ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া গুগলের কার্বন নিঃসরণ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশকেও প্রশ্নের মুখে ফেলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গুগলের সার্চ ইঞ্জিন, ইউটিউব, জিমেইল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) বিভিন্ন সেবা পরিচালনার জন্য বিশাল আকারের ডাটা সেন্টারগুলো দিনরাত কাজ করে। এসব কেন্দ্রে থাকা লাখ লাখ সার্ভার চালু রাখতে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়।










