কিন্তু যাত্রাকে বাঁচিয়ে রাখা, প্রাসঙ্গিক রাখার জন্য কাজ করেছে বহু মানুষ। তাদেরই একজন মিলন কান্তি দে (১৯৪৮-২০২৬)। তিনি ছিলেন যাত্রার জীবন্ত কিংবদন্তি। গত ৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ৭৭ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন। দীর্ঘ জীবন তিনি যুক্ত ছিলেন যাত্রারই সঙ্গে। তাকে নিয়েই আয়োজিত হচ্ছে স্মরণসন্ধ্যা। শৈলী প্রকাশন ও নাট্যমঞ্চ যৌথভাবে ‘যাত্রাওয়ালা মিলন কান্তি দে স্মরণসন্ধ্যা’ আয়োজন করেছে।

যাত্রায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত মিলন কান্তি দে ছিলেন একাধারে যাত্রাপালা রচয়িতা, নির্দেশক, অভিনেতা, সংগঠক, যাত্রাবিষয়ক গবেষক ও গ্রন্থকার, দেশের ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাট্যকলা বিষয়ের প্রশিক্ষক। তার ‘আমি যে এক যাত্রাওয়ালা’ বাংলা সাহিত্যে কোনো যাত্রাশিল্পী রচিত একমাত্র আত্মজীবনী।

আগামীকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় চট্টগ্রাম নগরীর মোমিন রোডে অবস্থিত চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নূরনাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে ‘যাত্রাওয়ালা মিলন কান্তি দে স্মরণসন্ধ্যা’। শিশির দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য স্মরণসন্ধ্যায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বজিৎ চৌধুরী, মুহাম্মদ শামসুল হক, আলম সাইফুল, বাবুল বিশ্বাস ও আমিনুর রহমান সুলতান। সূচনা ও ধন্যবাদ বক্তব্য রাখবেন যথাক্রমে রাশেদ রউফ ও জাহেদুল আলম। সঞ্চালনায় আয়েশা হক শিমু।

অনুষ্ঠানে মিলন কান্তি দে রচিত সর্বশেষ গ্রন্থ ‘যাত্রাশিল্পের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নন্দিত নায়িকারা’র মোড়ক উন্মোচন হবে।