চেন্নাইয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর তিনি তামিলনাড়ু রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন লড়াইয়ের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি দাবি করেন, তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য নিজের বিলাসবহুল জীবন ত্যাগ করেছেন।

চেন্নাইয়ে প্রচারণার শুরুতেই বিজয় কড়া ভাষায় সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী এ কে স্টালিনের। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে গত কয়েক বছরে অপরাধ, মাদক সমস্যা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে। তার দাবি, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা।

বিজয় বলেন, ‘পাঁচ বছর ধরে স্টালিন স্যার পুলিশের দায়িত্বে ছিলেন। যদি মৌলিক নিরাপত্তাই নিশ্চিত না করা যায়, তাহলে এ সরকার থাকার মানে কী? ক্ষমতাসীন দল “‍দ্রাবিড় মুনেত্রা কাঝাগাম (ডিএমকে)’’" জনগণের কল্যাণের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।’

এ সময় তিনি রাষ্ট্রীয় মদ বিক্রি সংস্থার অনিয়ম এবং চাকরির বিনিময়ে অর্থ নেয়ার অভিযোগও তোলেন।

তিনি ভোটারদের উদ্দেশে তার দলের ‘বাঁশি’ প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এ নির্বাচন একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।’ তার ভাষায়, এটি হবে একটি ‘‌বাঁশি বিপ্লব’।

সবশেষ বিজয় বলেন, ‘আমি বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে শুধু মানুষের জন্য রাজনীতিতে এসেছি। সব কষ্ট বুকে নিয়ে আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। আমি কখনো আপনাদের সঙ্গে প্রতারণা করব না।’

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ‘দ্রাবিড় মুনেত্রা কায়াগাম (ডিএমকে)’ ও থালাপতির দল ‘তামিলাগা ভেটরি কায়াগামের (টিভিকে)’ মধ্যে।

সূত্র: দি ইন্ডিয়ান টাইমস