সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগপত্র জমা দেয়ায় জাতীয় সংসদে একটি আসন শূন্য হলো। আসন শুন্য হলে সে আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রে নিয়মটা ভিন্ন। তাই মিষ্টির শুন্য আসন কীভাবে বণ্টন হবে তা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য হলে সরাসরি ভোট হয় না। যে দল বা জোটের অনুকূলে আসনটি বরাদ্দ ছিল, সেই দল বা জোটের মনোনীত প্রার্থীর মাধ্যমেই তা পূরণ করা হয়।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বণিক বার্তাকে বলেন, সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য হলে যে দল বা জোটের জন্য আসনটি বরাদ্দ, সেই দল বা জোটই শূন্য আসনটি পাবে। অর্থাৎ, আসনটি যার কোটায়, শূন্য হওয়ার পরও সেই দল বা জোটই আসনটি পাবে।
কত দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে- এমন প্রশ্নে তিনি জানান, আইন অনুযায়ী আসন শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। আর নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের আইন অনুযায়ী।
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন ২০০৪ অনুযায়ী, সংসদে অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের মোট আসন সংখ্যার আনুপাতিক হার অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও জোটের অনুকূলে সংরক্ষিত মহিলা আসন বণ্টন করা হয়। এরপর ইসি সচিবালয় রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে। পরবর্তীতে ইসির বৈঠকে অনুমোদনের পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। দল ও জোটগুলো তাদের বরাদ্দকৃত আসনের সমান সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। ফলে অনেক সময় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
ত্রয়োদশ সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য আছেন ৫০ জন। যার মধ্যে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১৩ জন ও স্বতন্ত্র একজন।









