দেশের স্বাস্থ্য খাতের টেকসই রূপান্তর এবং নাগরিকদের সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের কার্যকর সমন্বয়ের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার ঢাকার হোটেল আমারিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, কেবল বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়, বরং বিদ্যমান সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ ধরণের যৌথ আলোচনা ও দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের দক্ষ উদ্যোক্তা, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেসরকারি হাসপাতাল ও শক্তিশালী ওষুধ শিল্প রয়েছে। তবে প্রশ্ন হলো, এই বিশাল সক্ষমতাকে কীভাবে একীভূত করা যায়।
বাংলাদেশে চিকিৎসায় জনগণের পকেট থেকে অতিরিক্ত ব্যয়ের হার বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ ব্যয় কমিয়ে সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মেলবন্ধন জরুরি।
স্বাস্থ্যসেবাকে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি আরো বলেন, সরকার প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার দিকে এগোচ্ছে। গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে প্রায় ১ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত করা হচ্ছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকারের দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নীতিনির্ধারণী সহায়তার পাশাপাশি দেশের উদ্যোক্তাদের কঠোর পরিশ্রম দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক যুগান্তকারী অবদান রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান। এছাড়া, বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।










