দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) ৯ উপপরিচালককে পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। বুধবার (২১ আগস্ট) এ পদোন্নতি দেয়া হয়। পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বকাউল স্বাক্ষরিত এক আদেশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন ৯৫ ব্যাচের গোলাম ফারুক, ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা, নাছির উদ্দিন ও  ড. খান মীজানুল ইসলাম এবং ৯৪ ব্যাচের রফিকুজ্জামান, মোনায়েম হোসেন, মলয় কুমার সাহা, আব্দুল মাজেদ ও সৈয়দ তাহসিনুল হক।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালের ডিসেম্বর মাসে গোলাম ফারুক, ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা, এস এম শাব্বির হাসান, নাছির উদ্দিন ও  ড. খান মীজানুল ইসলাম চাকরিতে যোগ দেন। ২০০৭ সালের ৩ জানুয়ারি তারা উপপরিচালক পদে পদোন্নতি পান। তাদের মধ্যে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর গোলাম ফারুক অবসরে যাবেন। 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নভোথিয়েটার ও শাহজীবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের চারটি দুর্নীতির মামলার বাদী ৯৫ ব্যাচের উপপরিচালক ড. খান মীজানুল ইসলাম। এ কারণেই তাকে গত ১৮ বছর পদোন্নতি দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া রাজনৈতিক বিবেচনায় ৯৫ ব্যাচের সরাসরি প্রথম শ্রেণীর পদে যোগদানকারী গোলাম ফারুক, ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা, ড. খান মীজানুল ইসলাম সকল যোগ্যতাসম্পন্ন ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত রাখা হয়। তাদের অধীনে কর্মরত নিম্নমান সহকারীরা পদোন্নতি পেয়ে উপপরিচালক হন, তাদের অধীনে কর্মরত ছিলেন ও এসিআর নিয়েছেন এমন পরিদর্শকদেরকেও রাজনৈতিক বিবেচনায় জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পরিচালক করা হয়েছে। যারা এখন মহাপরিচালক পদে কর্মরত তারাও ৯৫ ব্যাচের ওই কর্মকর্তাদের ডিঙিয়ে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। ৯৪ ব্যাচের পরিদর্শক পদে যোগদানকারীরা বিভিন্ন সময়ে উপপরিচালক হন। এদের মধ্যে সিনিয়র কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান, তাহসিনুল হক, মোনায়েম হোসেন ও আব্দুল মাজেদ হলেও তাদেরকে ডিঙিয়ে তাদের ব্যাচের অপেক্ষাকৃত জুনিয়র উপপরিচালকদের রাজনৈতিক পরিচয়ের সুবিধা দিয়ে পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।