গতকাল সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ২১ আগস্ট শপথ নেন হুমায়ুন কবির। সেদিন মধ্যরাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়ার কথা জানানো হয়। শপথ নেয়ার আগে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম কথা হলো আইনে যেটা আছে সেটা আছে। দ্বিতীয় হলো এ সরকার যেটা করেছে সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে ব্যত্যয় কোনো কিছু ঘটেনি। যা করেছি সাংবিধানিকভাবে করেছি।...যখন শপথ দেয়া হয়েছে, আমরা সাংবিধানিকভাবে দিয়েছি।’
দেশের সুবিধাবঞ্চিত নারী, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা, পুনর্বাসন, ন্যায়বিচার প্রাপ্তি ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে গতকাল এক ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই হয়।
সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আইনি সহায়তা পাওয়া প্রত্যেক মানুষের মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকার। প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাত ধরে দেশে সরকারি পর্যায়ে লিগ্যাল এইডের ধারণার সূত্রপাত হয়। তিনি চেয়েছিলেন, যাদের আইনি লড়াই চালানোর আর্থিক সামর্থ্য নেই, রাষ্ট্র তাদের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনা করুক। তারই ধারাবাহিকতায় “বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর” প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা।










