যশোর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় প্রকাশ্যে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে সাব্বির নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। গতকাল দুপুরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাব্বির (২০) ওই এলাকার আকবর আলীর ছেলে ও পেশায় চা-দোকানি। পূর্ববিরোধের জের ধরে সাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল দুপুর ১২টার দিকে সাব্বির ও তার বন্ধুরা বাস টার্মিনাল এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা সেখানে গেলে সাব্বিরের সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। সাব্বিরকে একা পেয়ে সন্ত্রাসীরা উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালে আনার পর তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানান, কয়েকজন যুবক সাব্বিরকে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা করছে।

নিহত সাব্বিরের ভাই রাব্বি হোসেন জানান, সাব্বির ঢাকায় একটি ওয়েল্ডিং কারখানায় কাজ করত। সেখানে নাগরিক সনদপত্রের প্রয়োজন হওয়ায় সে বাড়ি আসে। বাস টার্মিনাল এলাকায় তার পিতার ছোট একটি খাবারের হোটেল রয়েছে। সেখানে সে বসেছিল। এ সময় এলাকার সুইট নামে এক যুবক তাকে ডেকে পাশের একটি মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে মুসা নামে অন্য একজন তাকে চাকু মারে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

যশোর পুলিশের মুখপাত্র ডিবি ওসি রুপণ কুমার সরকার জানিয়েছেন, পূর্ববিরোধের জের ধরে ছুরিকাঘাতে চা দোকানি সাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ হত্যার কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িতদের আটকের জন্য অভিযান শুরু করেছে।

অস্ত্রসহ চার সন্ত্রাসী আটক: যশোরের বেনাপোল থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, ম্যাগাজিন ও তিনটি বার্মিজ চাকুসহ চার সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সদস্যরা। শনিবার সন্ধ্যায় বেনাপোলের কাগজপুকুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।