টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে নৌকা ডুবির ঘটনায় রবিউল ইসলাম (৪) নামের এক শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। রবিবার দুপুরে যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জের বেলকুচির ভেলুরচর এলাকায় থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এনিয়ে নিখোঁজ তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা গেল। এর আগে শনিবার দুপুরে আলিফা (২২) নামের এক নারীর মৃতদেহ করা হয়। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন রবিউলের মা রত্না বেগম। তাদের বাড়ি বগুড়ার ধুনট উপজেলায়।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার সফিকুল ইসলাম বলেন শুক্রবার দুপুরে যমুনা নদীতে নৌকা ডুবে যায়। ভূঞাপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় শনিবার দ্বিতীয় দফা উদ্ধার অভিযান শুরু করি। শনিবার আলিফা এবং রবিবার রবিউলের মৃতদেহ উদ্ধার করা গেছে। মৃতদেহ দুটো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গত শুক্রবার দুপুরে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা যমুনা নদী পাড় হচ্ছিল। নৌকাটি বঙ্গবন্ধু সেতুর ১৪ নং পিলার কাছে গিয়ে হঠাৎ ডুবে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ১৪ জনের মধ্যে ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও তিনজন নিখোঁজ হন।
ভূঞাপুর থানার ওসি রাশিদুল ইসলাম বলেন, নৌকার যাত্রীরা অধিকাংশই শ্রমিক শ্রেণির। এই নিম্ন আয়ের মানুষগুলো গাজীপুরের বিভিন্ন জায়গায় কাজ করেন। তাদের বাড়ি বগুড়া জেলায়। করোনায় লকডাউনের কারণে তারা বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে সড়ক পথে যেতে না পেরে নৌকায় বাড়ি ফিরতেছিলেন। নৌকা ডুবির খবর পেয়ে শুক্রবার এতে ১৪ জনের মধ্যে ১১ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই।









