রেলের এ রুট দিয়ে প্রতিদিন ১৪ জোড়া ট্রেন চলে। ব্যস্ততম এ লেভেল ক্রসিংয়ে কয়েক দিন আগেও ঘটে গেছে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। এমন অরক্ষিত রেলগেটে যানবাহন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে এখন বাঁশ ও দড়ি বেঁধে। এতে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের জন্য এ মহাসড়কে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন পথচারী ও চালকরা।

সরজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে লেভেল ক্রসিংটির স্বয়ংক্রিয় লোহার গেটবার সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এ সময় ট্রেন আসতে দেখে ক্রসিংয়ের দুই পাশে বাঁশ ও দড়ি বেঁধে সড়ক আটকাচ্ছেন রেলের গেটম্যানরা। সড়কের দুই পাশে বাস, ট্রাক, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ ছোটবড় অনেক যানবাহনচালক ট্রেন চলে যাওয়ার অপেক্ষা করছেন। আবার অনেকে দ্রুত যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়া করতে গিয়ে বাঁশ ও দড়ির বাঁধ উপেক্ষা করে নিচ দিয়েই পার হওয়ার চেষ্টা করছেন।

চালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘রেলগেটে লোহার বার খারাপ হওয়ার কারণেই মূলত সব অ্যাকসিডেন্ট হচ্ছে।’"

দায়িত্বরত গেটম্যান সেলিম হোসেন জানান, তাদের গেটের মূল ব্যারিকেডগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে রশি ও বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড বানাতে হচ্ছে।

বিরামপুর স্টেশন মাস্টার কাজী ফয়েজ আলাউদ্দিন জানান, সড়ক বর্ধিতকরণে সাময়িকভাবে বাঁশ ও দড়ি দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। ১০ দিনের মধ্যে নতুন বার বসানোর কাজ সম্পন্ন হবে।

বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা খাতুন বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এটি নিয়ে এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। শিগগিরই সেটি সম্পন্ন হবে।’