সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিক্ষোভের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনদিন বাংলাদেশীদের জন্য সব ধরনের ভিসা ইস্যু বন্ধ ছিলে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে ট্যুরিস্ট বা ভিজিট ভিসা ইস্যুর প্রক্রিয়া এখনো বন্ধ রয়েছে। তবে বাংলাদেশ সময় গতকাল রাত ৯টার পর এমপ্লয়মেন্ট বা কর্মী ভিসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে কনস্যুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল (দুবাই অ্যান্ড নর্দার্ন আমিরাতস) বিএম জামাল হোসেন। যদিও বাংলাদেশ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে কনস্যুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেনের সঙ্গে গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টায় অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগমাধ্যম বোটিমে বণিক বার্তা থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘১৯ জুলাই সন্ধ্যার পর কিছু বাংলাদেশী নাগরিক রাস্তায় মিছিল করেছে, স্লোগান দিয়েছে, গণজমায়েত হয়ে যান চলাচল ও জনশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটিয়েছে। দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বিশেষ করে শারজাহ, আজমানসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় তারা এটি ঘটিয়েছে। আমাদের কাছে পুলিশের কাছ থেকে যতটুকু খবর এসেছে তা হলো তারা এটিএম বুথ ভেঙেছে। আজমানে গাড়িও ভাংচুর হয়েছে। যেটি এখানে খুবই অস্বাভাবিক ও অপ্রত্যাশিত। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এখানকরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, তাদের আইনের আওতায় এনেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘২২ জুলাই সকাল থেকেই আমরা দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশীদের জন্য ভিসা ইস্যু হচ্ছে না। অর্থাৎ যে সিস্টেমে বাংলাদেশীদের ভিসা পোস্ট করা হয়, সাবমিট করা হয় সেটি ব্লক হয়ে গেছে। এটি সাময়িক ব্যবস্থা নাকি দীর্ঘদিনের জন্য, এটি আমরা জানি না। কারণ হচ্ছে এখানে ভিসা বন্ধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নোটিফিকেশন বা সার্কুলার দেয়া হয় না। এটি শুধু সিস্টেম থেকে ব্লক করে দেয়া হয়। সেভাবেই ব্লক করে দেয়া হয়েছে। তবে সর্বশেষ সংবাদ হচ্ছে, এমপ্লয়মেন্ট ভিসা ইস্যুর প্রক্রিয়া এখন শুরু হয়েছে। তবে ট্রাভেল বা ভিজিট ভিসা এখনো বন্ধ আছে।’










