ফরিদপুর সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের মল্লিকপুর এলাকায় সুনামগঞ্জ-যশোর সড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা–মেয়েসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পুলিশের একজন উপপরিদর্শকও (এসআই) রয়েছেন। আজ সোমবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মাইক্রোবাসটি বোয়ালমারী থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। মামুন পরিবহনের বাসটি যাচ্ছিল ঢাকা থেকে খুলনা। মল্লিকপুর এলাকায় নতুন ব্রিজের কাছাকাছি গাড়ি দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। নিহতরা সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী। আহত একজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন, ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ছোলনা মহল্লার বাসিন্দা ডা. শরিফুল ইসলাম (৩২), তার মেয়ে তাবাসসুম (৫), শ্যালিকা তাকিয়া (১৩) ও ভাতিজি তানজিলা (১৭)। নিহত পুলিশের এসআই ফারুক হোসেন ডা. শরিফুলের বন্ধু। তার কর্মস্থল ঢাকায়। সম্প্রতি বেড়াতে গিয়েছিলেন। ফারুকের বাড়ি আলফাডাঙ্গায়। আর এ দুর্ঘটনায় নিহত ওই মাইক্রোবাসের চালক নাহিদের বাড়ি নড়াইলের রূপগঞ্জে। 

দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন শরিফুল ইসলামের স্ত্রী রাবি বেগম। তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার জানিয়েছেন, এ দুর্ঘটনায় ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে জেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও সড়ক বিভাগের প্রতিনিধি থাকবেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘন কুয়াশার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে পাশাপাশি দুটি ব্রিজ থাকায় ট্রাফিক সংকেতে কোনো সমস্যা আছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।