প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র'-এর প্রধানের ঢাকা সফর নিয়ে স্পেকুলেশনের কিছু নেই। তিনি চীন থেকে এসেছেন। এটা এক ধরনের সফর। তিনি এখানে তার কাউন্টারপার্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ নিয়ে সরকার মনে করলে সফরের পর বিবৃতি দিতে পারে। আমাদের গোয়েন্দা প্রধানও ভারতে গেছেন, সফর করেছেন। খবর বিবিসি বাংলা।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক তো নতুন করে রিঅ্যালাইনমেন্ট করতে হবে। তবে আগে যেই সম্পর্ক তারা করতে চেয়েছে সেটি ছিল একজনের সঙ্গে। তাকে জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক করতে হবে। ভারতের কোনো সংস্থা, কোনো প্রতিষ্ঠান আগে যেভাবে কাজ করেছে, যে আচরণ করেছে, এখন সেভাবে হবে না। স্বাধীন সার্বভৌম দেশের সঙ্গে যেভাবে হয়, সেভাবে হতে হবে। দুটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের মতো হতে হবে।
ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যৎ সম্পর্কের যে রিয়েল অ্যালাইনমেন্ট এর আলাপ তারা এখন করছেন তার অনুকূল পরিবেশ ভারতের দিক থেকে তৈরি করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘকাল যে সমস্যা হয়েছে, আমরা দেখেছি নানা সময়ে ওই সরকার (শেখ হাসিনা সরকার) অপ্রেসিভ হয়ে উঠতে পেরেছিল, তার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পেরেছিল, তার সঙ্গে ভারতের যোগাযোগের বিষয়ে জনগণের সন্দেহ আছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী (বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি) শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলন নিয়ে তিনি বলেন, তাকে (শেখ হাসিনা) তো প্রত্যর্পণের কথা ছিল। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ফেরত চাই। তাকে আইনের আওতায় আনতে চাই। তিনি সেখানে সংবাদ সম্মেলন করলেন। যাকে বিচার করতে চাই তিনি ওখানে বসে ওটা করছেন। এটা ভারতকে আন্তরিকভাবে নিতে হবে যে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক কেমন হবে, কী হবে।
সাকিব আল হাসানের সম্প্রতি রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাকিব আল হাসান ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন। কিন্তু তিনি একজন নষ্ট পচে যাওয়া মানুষ। উই ডোন্ট কেয়ার উনি কত নামী দামী মানুষ। এসব ফালতু কথা উনি বলেন, সরকারকে কিছুটা চাপে ফেলার জন্য। উনি বাংলাদেশে আসবেন মামলা ফেস করার জন্য। উনি আসলে কি এয়ারপোর্টে লোকজন মব করবে? নো ওয়ে। তার প্রত্যেকটি কথা সরকারের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এলে পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে আসবেন ও পূর্ণ অধিকার ভোগ করবেন বিচার প্রক্রিয়ায়। এখানে যেকোনো অপরাধীই তার আইনগত অধিকার পাবেন, সেটা হাসিনাই হোক আর সাকিব আল হাসানই হোক।










