তথ্য ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘সব চ্যালেঞ্জ, অনর্থক বিতর্ক ও প্রচারণা পেছনে ফেলে আজকে আমরা ভোটের দিনে চলে এসেছি। জনগণ আজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছে। লেটস সেলিব্রেট দিস। আসুন আমরা এ নির্বাচনটাকে, সরকারের এ প্রয়াসটাকে সেলিব্রেট করি।’

গতকাল ধানমন্ডির সেন্ট্রাল রোডে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেখেন এখানকার ভোটের আমেজ এবং ভোটারদের উপস্থিতি। মানুষ সত্যিকার অর্থেই ক্ষমতায়িত হয়েছে। ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে আনন্দিত। সবাই সুশৃঙ্খলভাবে সবাই ভোট দিচ্ছে।’

এ সময় সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, বুধবার পর্যন্ত শোনা যায় ইলেকশন কি হবে? অনেকে এসএমএস করে জানতেও চেয়েছে। দেশের মানুষের শঙ্কা ছিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনটা হচ্ছে কিনা।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘ক্ষমতায় তো কখনই ছিলাম না। ছিলাম দায়িত্বে। দায়িত্ব তো সারা জীবনের ব্যাপার। এটাকে প্রলম্বিত করা না করার ব্যাপার নাই। আগে বেলার প্রধান নির্বাহী হিসেবে পরিবেশ নিয়ে কাজ করেছি, এখন উপদেষ্টা হিসেবে পরিবেশের কাজ করেছি। আবার যখন চলে যাব তখন বেলায় গিয়ে আবার পরিবেশ নিয়ে কাজ করব। দেশটা নেতিবাচকতা ও সন্দেহের ভিত্তিতে এতটা বছর রয়ে গেছে। আজকে ইলেকশনের দিনে, শান্তিপূর্ণ ভোটের দিনে এটা প্রমাণ হলো যে যত রকমের কথাবার্তা ছিল নেতিবাচক, সেগুলো আসলে একটাও আমাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।’

এক গণমাধ্যমকর্মীর প্রশ্নের জবাবে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, নির্বাচনের পর ফলাফল ঘোষণার বিষয়টা উপদেষ্টাদের নয়, নির্বাচন কমিশনের। সুতরাং যখনই গেজেট নোটিফিকেশন হয়ে যাবে, শপথ হয়ে যাবে, তাক্ষৎণিকভাবেই সরকার দায়িত্ব হস্তান্তর করবে। এখনো পর্যন্ত উপদেষ্টারা দায়িত্বেই আছেন। প্রতিদিন রাষ্ট্রের কিছু না কিছু কাজ থাকেই। ফলে দায়িত্বে আছেন। যে মুহূর্তে শপথ হয়ে যাবে, সেই মুহূর্ত থেকে তারা আর দায়িত্বে নাই।