এক বিবৃতিতে ৩১টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কারের যৌক্তিক আন্দোলনকে গুরুত্ব ও সংবেদনশীলভাবে বিবেচনায় না নিয়ে সরকারের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের তুচ্ছতাচ্ছিল্য, সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন দিয়ে মোকাবেলা ইত্যাদি হুমকি ও দায়িত্বজ্ঞানহীন উসকানিমূলক বক্তব্য পরিস্থিতিকে বর্তমান অবস্থায় নিয়ে গেছে।
সংগঠনগুলো হলো বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, গণসংস্কৃতি কেন্দ্র, সংহতি সমাজ অনুশীলন কেন্দ্র, বাংলাদেশ গণশিল্পী সংস্থা, সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন, রাজু বিতর্ক অঙ্গন, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ভাগ্যকুল পাঠাগার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, সমগীত সংস্কৃতি প্রাঙ্গণ, প্রগতি লেখক সংঘ, গণসংস্কৃতি পরিষদ, স্বদেশ চিন্তা সঙ্ঘ, বাংলাদেশ থিয়েটার, লাশগুপ্ত চলচ্চিত্র সংসদ, এই বাংলায়, ঢাকা ড্রামা, বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চ, বিবর্তন নাট্যগোষ্ঠী, বাংলাদেশ মূকাভিনয় সাহিত্য আন্দোলন, থিয়েটার’৫২, সমাজতান্ত্রিক বুদ্ধিজীবী সংঘ, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরিষদ, শহীদ আসাদ পরিষদ, মাদল বটতলা-এ পারফরম্যান্স স্পেস, সমাজ চিন্তা ফোরাম।—বিজ্ঞপ্তি










