এদের মধ্যে সিলেটে ট্যাংকলরি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নাটোরে দুজন, বগুড়া ও কিশোরগঞ্জে একজন করে নিহত হয়েছেন। গতকাল বিভিন্ন সময়ে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধিদের খবর—

সিলেট: জেলার ওসমানীনগরে তেলবাহী ট্যাংকলরি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো দুজন। গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের নিয়ামত আলী (৩২), তার স্ত্রী হজুফা (২৮), মেয়ে আয়েশা (৪) ও অটোরিকশাচালক শেরপুরের লালন মিয়া। নিয়ামত আলী পরিবার নিয়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামসীতে বসবাস করতেন।

অটোরিকশাটি শেরপুর থেকে সিলেটের দিকে যাচ্ছিল। ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা তেলবাহী ট্যাংকলরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা সাতজনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চারজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। শেরপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ওসি আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাটোর: জেলার রামাইগাছি এলাকায় যাত্রীবাহী বাসচাপায় অটোভ্যান চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল দুপুরে নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কে ঢাকাগামী একটি বাস ব্যাটারিচালিত ভ্যানটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ভ্যানচালক সাইদ মিয়া ও যাত্রী সাব্বির হোসেন মহাসড়কে ছিটকে পড়েন। পরে বাসটি তাদের চাপা দিয়ে চলে গেলে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

বগুড়া: জেলার মোকামতলায় ট্রাকের ধাক্কায় ১৪ বিজিবি নওগাঁর হাবিলদার মো. রফিকুল ইসলাম (৫৬) নিহত হয়েছেন। তিনি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বাসিন্দা। গতকাল সকাল পৌনে ১০টায় ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে মোকামতলা বন্দরে বাস থেকে নামেন তিনি। রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। নন্দীগ্রামের কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার ওসি মো. রইচ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কিশোরগঞ্জ: জেলার পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা দেখতে গিয়ে প্রাইভেট কারের চাপায় নুরুজ্জামান (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। গতকাল সকালে বাহাদিয়ার পাঁচপীরের মাজারসংলগ্ন এলাকায় দুটি অটোরিকশার সংঘর্ষ দেখতে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেট কার তাকে চাপা দেয়। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা প্রাইভেট কার ভাংচুর ও সড়ক অবরোধ করে। পাকুন্দিয়া থানার ওসি এসএম আরিফুর রহমান জানান, ড্রাইভারকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।