ঠাকুরগাঁওয়ে ২৩ বছর পর চালু হয়েছে খড়িবাড়ি সেচ প্রকল্প। এর মাধ্যমে কৃষক আমন ও বোরো মৌসুমে সেচ সুবিধা পাবেন। সেচের আওতায় আসবে আশপাশের ফসলি জমি। কমবে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার। পাশাপাশি কৃষকের ফসল উৎপাদনও বাড়বে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও সূত্রে জানা গেছে, টাঙন নদীর তীরে ১৯৬৫ সালে খড়িবাড়ি হালকা সেচ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়। ৮৫০ একর সেচযোগ্য এলাকাজুড়ে পাম্পের সংখ্যা ছিল ছয়টি।৷ খালটির দৈর্ঘ্য ছিল ২ দশমিক ২৫ কিলোমিটার। ২০০০ সালে সেচ প্রকল্পের পাম্প হাউজ নদীগর্ভে বিলীন হলে সেচ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আবার পাম্প হাউজ, সেচনালা ও ইনটেক চ্যানেলসহ অন্যান্য অবকাঠামো সংস্কার করা হয়।
খড়িবাড়ি গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘সেচ প্রকল্প বন্ধ হওয়ার পর আমাদের অনেক অসুবিধা হয়েছে। ফসল উৎপাদন খরচও বেড়েছে। প্রকল্পটি সচল হওয়ায় খরচও অনেক কমে আসবে।’
ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসম্প্রসারণ কর্মকর্তা রফিউল বারী বলেন, ‘এলাকার মানুষের চাহিদা ছিল এ প্রকল্প আবার চালু করার। প্রায় ২৩ বছর পর সেটি সচল করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আশপাশের কৃষকরা সেচ সুবিধা পাবেন। সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে ভালো ফলনও পাবেন।’
ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম যাকারিয়া বলেন, ‘সেচ প্রকল্পটি সচল হওয়ার মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমবে। ভূউপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়বে। পাশাপাশি ফসল উৎপাদনও বাড়বে।’










