জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর বাংলাদেশ জোর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
আজ শনিবার দুপুরে নবনিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত কয়েক মাসে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি নতুন কৌশলগত কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে। ওয়াশিংটন, বেইজিং বা মধ্যপ্রাচ্য—সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখা হচ্ছে। এতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং দ্বিপক্ষীয় সফর প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, শেখ হাসিনা ও ভারতে পালিয়ে যাওয়া অন্যান্য অপরাধীকে ফিরিয়ে আনা নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে এবং দেশে তাদের বিষয়ে বিচারিক কার্যক্রম চলমান। এটি দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও স্বাভাবিক দাবি।
ভারত সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আলোচনা ও কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে সফরের বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়ো নেই। শীর্ষ পর্যায়ের যেকোনো বৈঠকের জন্য পূর্বপ্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। সঠিক সময়ে এবং আলোচনার অগ্রগতির ভিত্তিতে সফর অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের অনুভূতি ও জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কারো সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য কাজ চলছে। ভারতও বাংলাদেশের মানুষের এ অনুভূতি অনুধাবন করতে পেরেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, বিশাল জনসমর্থন নিয়ে গঠিত এ সরকার সফট পাওয়ার, প্রভাব ও মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।










