ছাত্ররাজনীতি
শুরু হলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে বলে মনে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের
৮৫তম ব্যাচ। উপাচার্য বরাবর চিঠিতে ১৯৮৫-৮৬ সেশনের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এ মন্তব্য
করে।
এতে বলা হয়, ‘বুয়েটের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে আপনি উপাচার্যের দায়িত্ব নিয়েছেন। বিগত চার বছরে আপনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আবরার ট্রাজেডির পর বুয়েটকে প্রায় ধ্বংসস্তুপ থেকে শুধু তুলেই আনেননি, আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় একাডেমিক এবং ভৌত কাঠামোর অধিকতর উন্নতি ঘটিয়েছেন। দেশে এবং দেশের বাইরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং তাতে সাফল্য এসেছে। বুয়েট ছাত্ররা শুধু পুঁথিগত বিদ্যাই আয়ত্ত করছে না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠছে।’
বুয়েটের
সাবেক এই শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘এমনই একটা সুন্দর যাত্রার ঊষালয়ে বুয়েটে সাম্প্রতিক
কিছু ঘটনাবলী দেখে এর ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা জেগে উঠেছে। বুয়েটে প্রচলিত ধারার ছাত্ররাজনীতি
যে আবার চালু যেন না হয় সে বিষয়ে আপনার ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
তারা
আরো বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ছাত্ররাজনীতির নামে অপরাজনীতি বিদ্যমান। এমতাবস্থায়, বুয়েটের
৯০ ভাগেরও বেশি শিক্ষার্থীর মতামতের বিরুদ্ধে গিয়ে তাদের ওপর ছাত্র রাজনীতি চাপিয়ে
দিলে সাম্প্রতিক এই অর্জনগুলো ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে বলে আমাদের আশঙ্কা। এই পরিপ্রেক্ষিতে
আমাদের প্রত্যাশা, ছাত্রদের রাজনীতি মুক্ত রাখার মধ্য দিয়ে বুয়েটে যে নিরাপদ, সুষ্ঠু
ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং যার ওপরে দাঁড়িয়ে বুয়েটের ও অনন্য
অগ্রযাত্রা চলমান রয়েছে তা আপনি অব্যাহত রাখবেন। এই লক্ষ্যে বুয়েটের অধ্যাদেশ অনুসারে
প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’










