কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চেৎপুর গ্রামে সৌদি ফেরত স্বামী আবদুল জলিলকে (৪৫) হত্যার দায়ে তার স্ত্রী শাহনাজ বেগমসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ৯ জুন চিকিৎসা করানোর কথা বলে প্রবাস ফেরত আবদুল জলিলকে ঢাকায় নেন তার স্ত্রী শাহনাজ বেগম। ঢাকা থেকে ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্ত্রী শাহনাজের ইন্ধনে আবদুল জলিলকে হত্যা করে মরদেহ রাস্তায় ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের ভাই তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে হোমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্ত শেষে নিহতের স্ত্রী শাহনাজ বেগম ও তার পরকীয়া প্রেমিক মো. শাহজাহানসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। গতকাল এ মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— হোমনা উপজেলার চেৎপুর গ্রামের নিহত আবদুল জলিলের স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৩৫), একই উপজেলার কারারকান্দি গ্রামের মৃত ইউসুফ মিয়ার ছেলে মো. কুদ্দুস (৩২), মৃত সাধন মিয়ার ছেলে মো. রাজিব (২৬) ও মঙ্গলকান্দি গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে আব্দুল খালেক (২৮)।  

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আবু ইউসুফ জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের সবাই পলাতক।