বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘দেশে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে নিত্যপণ্যের দামের ওপর প্রভাব পড়েছে। তাই অন্য দেশের তুলনায় দেশে পণ্যের দাম ধীরগতিতে কমছে। আমাদের দেশের টাকার ২০-২৫ শতাংশ অবমূল্যায়ন হয়েছে। আমদানি করা পণ্যের খরচ ও দেশের টাকার অবমূল্যায়নের বিষয়টি হিসাব-নিকাশ করে পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে। গতকাল দুপুরে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে আগামী ২ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থলের প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে সয়াবিন তেল, চিনি, ডাল আমদানি করা হয়। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার সঙ্গে সঙ্গে ট্যারিফ কমিশন দেশেও তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। তবে সেটি বাজারে বাস্তবায়ন হতে হয়তো সময় লাগছে। এর মধ্যে অসাধু ব্যবসায়ীরা কখনো কখনো সুযোগ নেয়। ভোক্তা অধিকার ও অন্যান্য সরকারি সংস্থা বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। এখানে আমাদের কোনো দুর্বলতা নেই, সরকার এ বিষয়ে সিরিয়াস।’

তিনি আরো বলেন, ‘‌দেশে সাড়ে তিন কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে, অন্যদিকে আমরা পাঁচ কোটি মানুষকে টিসিবির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দিচ্ছি। সরকার সাধারণ মানুষের প্রতি যথেষ্ট সংবেদনশীল।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ আগস্ট রংপুরে আসছেন। সেদিন রংপুর জিলা স্কুল মাঠে আওয়ামী লীগের রংপুর বিভাগীয় জনসভায় বক্তব্য রাখবেন সরকারপ্রধান।’

প্রধানমন্ত্রীর কাছে দলের পক্ষ থেকে কোনো চাওয়া আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘‌চাওয়ার তো অনেক আছে, সবচেয়ে বড় চাওয়া তিস্তার মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন। নদীর দুই পাড়ের মানুষের দুঃখ দুর্দশা ঘোচাতে এটাই সবচেয়ে বড় চাওয়া। এছাড়া গ্যাস যাতে দ্রুত দেয়া যায়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্রেইল করা, অর্থনৈতিক জোন করা এবং যে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে তা দ্রুত শেষ করা। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী নিজেই তা ঘোষণা দেবেন।’