এ কারণে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহ এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে চালু থাকা এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম থেকে গতকাল আরো চারটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১২০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আগত যাত্রীদের ভোগান্তিও বেড়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের শারজাহ থেকে আসা একটি অ্যারাইভাল ফ্লাইট এবং আবুধাবিগামী একটি ডিপারচার ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আগত একটি অ্যারাইভাল ও দুবাইগামী একটি ডিপারচার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। তবে একই দিনে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা নয়টি অ্যারাইভাল ফ্লাইট ও ছয়টি ডিপারচার ফ্লাইট গতকাল শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত হয়েছে।
বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সালাম এয়ার, এয়ার অ্যারাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই রুটের ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বণিক বার্তাকে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট পরিচালনায় ১৬ দিন ধরেই অস্থিরতা চলছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোববার পর্যন্ত বাতিল হওয়া চারটি ফ্লাইটসহ মোট ১২০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফ্লাইট চলাচলও স্বাভাবিক হবে। তবে এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারফিল্ডগুলো কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় বিমান চলাচল বাড়ছে।’









